
কাশ্মীরের লোকদের জন্য ভারতের একজন নাগরিকেরও সহানুভুতি নেই, ভারতীয়দের ধারণা, ওরা মনে প্রাণে পাকিস্তানী ও ভারত বিদ্বেষী, কিন্তু ভারতের যায়গায় বসবাস করছে; ওদের উচিত দেশ ত্যাগ করা। ভারতের নাগরিকেরা মন থেকে আর বিশ্বাস করে না যে, কাশ্মীরের লোকেরা কোনদিন ভারতকে জন্মভুমি হিসেবে গ্রহন করবে। সবচেয়ে খারাপ হলো, ভারতীয়রা মনে করেছে যে, কাশ্মীরীরা রাজতন্ত্রে ছিল, রাজা ভারতে যোগদান করায়, ভুমি ভারতের অংশ হয়ে গেছে; বরং পাকিস্তান যে অংশ দখল করেছে, উহা ভারতের।
এখন ভারত থেকে সহজে কেহ আলাদা হতে পারবে না; সুতারাং, ভারতীয় কাশ্মীর স্বাধীন হচ্ছে না শীঘ্রই।
পাকিস্তানী ও চীনের অংশ থেকে যদি কাশ্মীর দেশ গঠন করা হয়, ভারত ব্যতিত কেহ মোটামুটি বাধা দেবে না; ভারতের একা বাধায় তেমন কাজ হবে না। ১০/১৫ বছরের মাঝে যদি নতুন দেশ সফল হয়, তখন ভারতীয় অংশ দাবী করতে সমর্থ হবে।
নতুন দেশ গঠিত হলে, দেশকে পাকিস্তানের বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে হবে; কারণ, পাকিস্তানের সাথে যাদের সম্পর্ক থাকবে, তারা কোনদিন আধুনিক বিশ্বে প্রবেশ করতে পারবে না; উহা নতুন আফগানিস্তানে পরিণত করবে পাকিস্তানীরা।
আবার সমস্যা হলো চীন; চীনের সাহায্য নিলে, ভারতীয়দের চক্ষুশুল হবে; কিন্তু অবস্হানের কারণেে, তারা চীন ব্যতিত অন্য কাহারো সাহায্যে নিজ পায়ে দাঁড়াতে পারবে না। দেশটি বিশ্বের ফলের বাগানে পরিণত হতে পারে আধুনিক কৃষি পদ্ধতি ব্যবহার করে।
নতুন দেশটি যদি ভারতীয় অংশকে আশা দিতে পারে যে, রাজনৈতিক উপায়ে সময়ের সাথে ২ অংশ এক হতে পারবে, এখন দরকার অস্ত্র ত্যাগ করে মানুষকে শিক্ষিত করে তোলা, তা;হলে ভারতীয় অংশে হিংসা ও হতাশা কমে আসবে। ভারতীয় অংশ যদি পাকীদের সাথে সম্পর্ক ছেদ করে, ভারতের লোকদের মনোভাব বদলাবে সময়ের সাথে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০১৬ সকাল ৮:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



