
এক অরাজনীতিবিদ ট্রাম্পের বিপক্ষে আমেরিকার দুই বৃহত্তম রাজনৈতিকদল (ট্রাম্পের নিজ দলসহ), ২ খুবই জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট, এক খুবই জনপ্রিয় ফার্স্ট-লেডী, পুরো মিডিয়া ও মিলিয়ন মিলিন ডলার, বার্ণি সেন্ডার্সের মত প্রাইমারীর জনপ্রিয় নেতা, বুশ পরিবারের মতো শক্ত পরিবার, এবং প্রশাসনের বড় অংশ; কেন সবাই ট্রাম্পের বিপক্ষে?
ইতিমধ্যে ২৪ মিলিয়ন ভোট দেয়া হয়েছে; ৭টি রাজ্যে ইচ্ছা করলে, আগের দেয়া ভোট বদলানো যাবে এখনো; ট্রাম্প অনুরোধ করছে ভোট বদলানোর জন্য। এবিসি অনুসারে, আজকে জাতীয় জরীপে ট্রাম্প ৪৬%, হিলারী ৪৫%।
ট্রাম্প জয়ী হলে, আমেরিকান রাজনীতিবিদদের হাজার রকমের সিক্রেট বেরিয়ে আসবে, যেগুলো আমেরিকার সাধারণ মানুষের অধিকারকে খর্ব করে আসছে ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে। আর যদি ট্রাম্প নির্বাচিত হয়ে, ভালো কিছু করে, অনেক বড় বড় রাজনীতিবিদের গুরুত্ব ১ পয়সার থেকেও কমে আসবে।
ট্রাম্প জয়ী হলে আমি খুশী হবো; কিন্তু ভয়ে হয়তো, কয়েকদিন বাহিরে বের হবো না; কেননা, ট্রাম্পের সাপোর্টারেরা যদি বিজয়ের উৎসব শুরু করে, এদের মাঝে কিছু দুস্ট লোক ঢুকে পড়তে পারে; এরা আমাদের মতো মানুষকে টার্গেট করতে পারে; কিন্তু ট্রাম্প এ ধরণের কোনকিছু কোন অবস্হায় সাপোর্ট করবে না।
জরীপের দিক থেকে, ট্রাম্প হিলারী থেকে কিছুটা পেছনে; কিন্তু এবারের ভোট হয়তো জরীপকে অনুসরণ নাও করতে পারে; হয়তো, হিলারী সামনে থাকার পরও বেশ ভোটে হেরে যেতে পারে; আবার, যে পরিমাণ ভোট ট্রাম্পের পাবার কথা জরীপ অনুসারে, তার থেকে অনেক কম পাবে; কারণ, এবার ভোটের বেলায়, জরীপে কিছু আমেরিকান সঠিক তথ্য দিচ্ছে না। আগামী ৬ দিনে অনেক কিছু ঘটতে পারে।
রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিকদের এভাবে কেহ কোনকালে এক করতে পারেনি, যুদ্ধও এভাবে এক করতে পারেনি, যেভাবে তারা ট্রাম্পকে মোকাবেলা করার জন্য এক হয়েছে; এতে বুঝা যাচ্ছে যে, এইসব দলে বিশাল পরিমাণ নেতারা দীর্ঘদিন মানুষকে অনেক কিছু থেকে বন্চিত করে আসছে।
এটা ঠিক যে, দল ২টি মানুষের প্রতি অনেক অন্যায় করে আসছে; শুধু আমেরিকান সরকার ইসরায়েলকে ৩ বিলিয়ন ডলার দান করে বছরে, অথচ লাখ লাখ শিশু রাতে কম খেয়ে, বা বেঠিক খাদ্য খেয়ে ঘুমাতে যায়; বয়স্ক লোক রাস্তায় ঘুমায়, অনেক মা ২টি চাকুরী করেন; এগুলো সব বেরিয়ে আসবে; রাজনীতিবিদদের সুনাম থাকবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

