
হতবাক, আক্কেল গুড়ুম, আকাশ থেকে পড়লেন? আপনি হতবাক হলেও, ঘটনা কিন্তু সত্য, ইনি হচ্ছেন আমাদের প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ সাহবে; আজকে উনি আছেন জার্মানীর ফ্রাংকফুর্টে, স্বাস্হ্য চেক করাচ্ছেন; গতকাল ছিলেন লন্ডনে, চোখ দেখায়েছেন; আগামীকাল উনি কোথায় যেতে পারেন, কোথায় যেতে পারেন? হয়তো সিংগাপুর, কিংবা থাইল্যান্ড, বলা মুশকিল, ভালো ডাক্তারের অভাব নেই বিশ্বে!
আরেক স্বাস্হ্য-সচেতন মানুষ হলেন ওবামা, দেখেছেন হালকা পাতলা, কথায় কথায় হাসেন, কাঁদেন, বাস্কেটবল খেলেন; একটা সমস্যা, বউয়ের থেকে চুরি করে বিড়ি টানেন! উনি দরিদ্র আমেরিকানদের জন্য "ফ্রি হেলথ ইন্সুরেন্স" চালু করেছিলেন; আজও আছে; ট্রাম্প উহাকে বাদ দিতে গিয়ে এক লাথি খেয়েছেন, আবারও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ওবামা যখন ক্ষমতায় এসেছিল, ২০০৮ সালে, তখন আমেরিকার ৩১ কোটীর মাঝে সাড়ে ৪ কোটীর হেলথ ইন্সুরেন্স ছিলো না; ভাবতে পারেন, যেই দেশের বাতাসে ডলার উড়ে সেই দেশের সাড়ে ৪ কোটী লোকের অসুখ হলে ডাক্তারের কাছে যেতে পারতো না? ওখানে আবার তাবিজ ও পানিপড়াও নেই যে, কমপক্ষে সেটা দিয়ে নিরাময় লাভ করবেন। ওবামার হেলথ ইন্সুরেন্স আড়াই কোটীকে কাভারেজ দিয়েছিল; বাকীরা চাকুরী পেয়ে হেলথ ইন্সুরেন্স পেয়ে গিয়েছিলেন; উনি কোম্পানীদের বাধ্য করেছিলেন হেলথ ইন্সুরেন্স দিতে; এতে লাভের একাংশ চলে যায়; ট্রাম্প কোম্পানীরা যাতে বেশী লাভ পকেটে রাখতে পারেন, সেজন্য ওবামা কেয়ার বাদ দিতে চান; এটা হলো ধনী লোকদের রাজনীতি, ক্যাপিটেলিজম; ইহা বলে, ধনীরাই চাকুরী সৃস্টি করতে সক্ষম, দরিদ্রা চাকুরী সৃস্টি করতে পারে না!
বাংলাদেশ, ৬৫ বছরের বেশী বয়সের লোক সংখ্যা হচ্ছে মাত্র ৯৪ লাখ, ১ কোটীও নয়; এরা সবাই প্রেসিডেন্ট নন; তবে, আবদুল হামিদ সাহেবের সাথে এদের সবার মিল আছে, বার্ধক্য-জনিত অসুস্হতা, এদের অনেকেই চোখে ঠিক মতো দেখেন না; এদের চিকিৎসার দরকার; আমাদের আবদুল হামিদ সাহেব চাইলে কিন্তু ওবামার মতো "আবদুল হামিদ কেয়ার" চালু করতে পারেন; সবার জন্য না হলেও, উনার কাছাকাছি বয়সের ৯৪ লাখ মানুষের জন্য এই দরকারী কাজটা করা কিন্তু খুবই সহজ। উনি একা না পারলে, আমরা উনাকে সাহায্য করবো।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


