
ট্রাম্পের জামাতা, জেরিড কুশনার এবার এফবিআই'এর তদন্তের টার্গেটে পরিণত হয়েছে; আগামীকাল সে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটির সামনে কথা বলবে; ট্রাম্পের নির্বাচনের আগে ও পরে, হোয়াইট হাউসে প্রবেশের আগে জেরিড কুশনার রাশিয়ানদের সাথে "ব্যাক চ্যানেল" স্হাপন করেছে; এ'সময় সে বেশ কয়েকবার রাশিয়ান রাস্ট্রদুতের সাথে দেখা করেছে। আজকে জানা গেছে যে, সে রাশিয়ান কোন এক ব্যাংকারের সাথেও দেখা করেছে। আমেরিকা বুঝতে চাচ্ছে যে, ট্রাম্পের নির্বাচন ব্যয়ে রাশিয়ান ডলার আছে কিনা! নির্বাচনে, আমেরিকার সাম্প্রতিক ইতিহাসে শুধু ট্রাম্প নিজের ব্যয় নিজে বহন করেছে, বাকীরা জনতার টাকায় নির্বাচন করে।
যদি কোনভাবে দেখা যায় যে, রাশিয়ান ডলার আমেরিকান নির্বাচনে প্রবেশ করেছে, ট্রাম্প আউট; মনে হয়, রাজনীতিবিদগণ ও মিডিয়া পুরো ব্যাপারটাকে সেইদিকে নিয়ে যাচ্ছে! যদি রাশিয়ান ডলার কোনভাবে নির্বাচনে প্রবেশ করে থাকে, সেটা কোভাবেই ঢেকে রাখা যাবে না।
জেরিড কুশনার ধর্মগতভাবে ইহুদী পরিবারের ছেলে; তার বাবা বিলিওনিয়ার এবং রিয়েলস্টেটে বিনিয়োগকারী; ট্রাম্পের মেয়ে জুডাইজম গ্রহন করেছে; নির্বাচনের শুরু থেকে জেরিড সবকিছুতে বড় ভুমিকা পালন করে আসছে। এখন তার হোয়াইট হাউসে এডভাইজার হিসেবে প্রবেশাধিকার আছে; এবং তার হাতে ফিলিস্তিন পোর্টফোলিও।
ট্রাম্প সাপোর্টারদের অনেকেই চাচ্ছিল না যে, জেরিড হোয়াইট হাউসের ব্যাপারে যুক্ত হোক; ফলে, জেরিড কারো সহানুভুতি পাবে না; যদিও এফবিআই বলছে যে, তারা কিছু বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য তার সাথে কথা বলবে; আসল কথা হলো, তারা তাকে ভালোভাবেই টার্গেট করেছে।
এদিকে, স্বাধীন তদন্ত কাউনন্সেল মুলারও ট্রাম্পের রাশিয়া কানেকশান তদন্তকে শক্তভাবে নিয়েছে। বিদেশ থেকে আসার পর, ট্রাম্প বেশ নীচু প্রোফাইলে আছে। বিদেশ ভ্রমণের বড় বড় প্রাপ্তিগুলোকে ( অস্ত্র বিক্রয়, ৫০ মুসলিম জাতির সাথে মিটিং, ফিলিস্তিন ভ্রমণ) জার্মানীর মার্কেল ধুলোয় মিশায়ে দিয়েছেন; তিনি বলেছেন যে, ট্রাম্পের কারণে ইউরোপের সাথে আমেরিকার আগের ঘনিস্ঠ সম্পর্ক আর নেই!
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০১৭ রাত ৮:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



