
আজ, মে মাসের ৩০ তারিখ ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য এক ভয়ানক দিন; আগামীকাল ট্রাম্পের জামাতা, জেরেড কুশনার আমেরিকান ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল ও এফবিআই'এর সমন্নয়ে গঠিত কমিটির সামনে রাশিয়া কানেকশান সম্পর্কিত তদন্তের প্রশ্নের জবাব দেয়ার কথা; কুশনারের কোন রাজনৈতিক ও কুটনৈতিক ব্যাক-গ্রাউন্ড নেই; ফলে, কিসের থেকে কি হবে, কেহ বলতে পারার কথা নয়।
এদিকে আজকে হোয়াইট হাউস কম্যুনিকেশন ডিরেক্টর পদত্যাগ করেছে; মনে হচ্ছে, হোয়াইট হাউস যে ধরণের পরিস্হিতির মাঝে দিয়ে যাচ্ছে, ডিরেক্টর উহার অংশ হতে চাচ্ছে না। আজকে ট্রাম্প সম্ভাব্য এফবিআই ডিরেক্টরের ইন্টারভিউ নেয়ার কথা ছিলো; ট্রাম্প সেটি বাদ দিয়েছে।
আজকে জার্মনীর মার্কেল স্পস্ট করে বলেছে যে, আমেরিকা এখন আর ইউরোপের চোখে লীডার নয়; এই অবস্হায় ১ জন রিপাবলিকানও মুখ খুলেনি, ট্রাম্পের হয়ে কমপক্ষে মার্কেলের কথার জবাব দেয়নি বা, থামানোর চেস্টা করেনি; তারা চাচ্ছে, ট্রাম্প পারলে হ্যান্ডল করুক, না হয় অপবাদ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাক।
আজকে মিডিয়া ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ইন্টাারভি্উ দেখায়েছে, যেখানে ট্রাম্প বলছে, "রাশিয়ার সাথে আমার কোন ব্যবসা নেই, কোন ডিল নেই, কোন সম্পর্ক নেই, কোন কালে ছিলো না; সাথে সাথে ২০১৩ সালের একটা ইন্টারভিউ দেখাচ্ছে, যেখানে ট্রাম্প বলছে, "আমি রাশিয়ার সাথে বিবিধ সেক্টরে বড় বড় ব্যবসা করছি, অনেকগুলো ব্যবসার সাথে জড়িত, ও বেশ কয়েকটি ব্যবসা পাইপ লাইনে আছে।"
মনে হচ্ছে, রাজনৈতিক দল ২টি ট্রাম্পের উপর ভয়ানক চাপের সৃস্টি করতে চাচ্ছে; যাতে সে নিজের থেকে বিরক্ত হয়ে যায়; ট্রাম্পের যে ধরণের ব্যক্তিত্ব, তাতে অনেক কিছু অনুমান করা বেশ কঠিন। সে বিশালভাবে বিরক্ত হয়ে গেলে সব ফেলে চলেও যেতে পারে; ইতিমধ্যে সে একদিন বলেছে যে, এত বেশী কাজ করতে হবে, সেই কথা সে জানতো না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০১৭ সকাল ৮:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



