
বাংলাদেশে থেকে এই বছর ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ হজ্বে যাচ্ছেন; হজ্বের টাকার বড় অংশ খরচ হয় 'ফরেন কারেন্সী' হিসেবে; গড়ে মাথাপিছু ৫ হাজার ডলার খরচ হবে। তাতে কমপক্ষে জাতির ৭০০ মিলিয়ন ডলার থেকে ১ বিলিয়ন ডলার বিদেশী মুদ্রা খরচ; ডলার আয় করেন কারা? গার্মেন্টস'এর দরিদ্র মেয়েরা; এই মেয়েরা কোনদিন হজ্বে যেতে পারবেন? মোটেই সম্ভব হওয়ার কথা নয়।
যারা ডলার আয় করে না, তারা হজ্বে যাচ্ছেন; যারা ডলার আয় করেন, তারা যেতে পারছেন না; এটার সমতা আনার দরকার আছে? এখানে কিছু ভাবার দরকার আছে? মনে হয়, প্রতি হাজীর খরচ আরো এক হাজার ডলার বাড়িয়ে দিয়ে, এই টাকাগুলো ডলার অর্জনকারীদের 'হজ্বের বোনাস' হিসেবে দেয়ার দরকার আছে।
কেহ কি হেঁটে বা নিজ চেস্টায় কম খরচে হজ্বে যেতে পারবেন, যেমন ইয়েমেনের, ফিলিস্তিনের, বা বেলুচিস্তানের দরিদ্ররা? না, যারা দরিদ্র, নিজ চেস্টায় যেতে চাইবেন, তাদেরকে ভিসা দেয়া হবে না; এমন কি এজেন্সীর মাধ্যমে না হলে, এখন আর ভিসা দেয়া হচ্ছে না। কেহ যদি কোনভাবে মক্কায় পৌছে যান, তাকে হোটেল, বা ভাড়া করা বাড়ী ব্যতিত থাকতে দেয়া হবে না; হজ্বের সময় হোটেল ও বাড়ী ভাড়া খুবই বেশী, যা কোন দরিদ্র লোকের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়; তা'হলে গরীবদের হজ্ব করা হচ্ছে না? ইসলাম ধর্মকে এমন পর্যায়ে নিলে ধর্ম সম্পর্কে দরিদ্ররা কি ভাববেন? ভালো যে, মোটামুটি বেশীর দরিদ্রই অশিক্ষিত, এরা না বুঝে ধর্ম, না বুঝে কর্ম; অবশ্য ভাবার সময়ও নেই, খাবার যোগাড় করতেই সময় শেষ!
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




