
সুচীর এক এডভাইজার বাংলাদেশকে দোষারোপ করছে যে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সঠিক তালিকা পাঠায়নি দেখে, ১৯৯৩ সালের রোহিংগা শরনার্থীদের নেয়া আজও সম্ভব হচ্ছে না; উনি ধারণা করছেন যে, বাংলাদেশ রোহিংগা শরণার্থীদের জন্য বিশ্ব থেকে সাহায্য পেয়ে আসছে, এবং সেখান থেকে লাভবান হচ্ছে, সেই কারণে রোহিংগাদের ফেরত পাঠাতে ইচ্ছুক নয়; ১৯৯৩ সালের ৩ লাখ রোহিংগাদের ব্যাপারে এটা "আসলে সত্য"। কিন্তু বার্মা কেন আজ ২৪ বছর পর সেই কথা বলছে? এটা কি বুদ্ধিমানের কথা! সেটা তখনই বলার দরকার ছিলো! কতজন নাগরিক নিহত হয়েছে, কতজন পালিয়েছে, সেই লিষ্টটা তো পিগমীদের নিজের কাছেই থাকার কথা!
এখন বলছে, রোহিংগাদের ফেরত নেবে, যদি সঠিক তালিকা বাংলাদেশ দেয়, এবং "রিফিউজী রোহিংগারা যদি নিজেদের বাসস্হানের প্রমাণ দিতে পারে"; এবং তারা প্রতিদিন ৩০০ জন মানুষকে ফেরত নিতে পারবে; মাসে ৬০০০ থেকে ৬৫০০। তা'হলে, ১০ লাখ ফেরত নিতে লাগবে, ১৪ বছর। এবছর দেড় মাসে এসেছে ৬ লাখ রোহিংগা; এই ৬ লাখের ফেরত যেতে লাগবে ৯ বছর; এই জাতিকে ইডিয়ট না বলে কি উপায় আছে?
তারা তাদের মানুষকে হত্যা করে, তাদের বাড়ীঘর পড়ায়ে দিয়ে, মেয়েদের ধর্ষণ করে, বাচ্ছাদের আগুনে পোড়ায়ে দেশ ছাড়া করেছে; রিফিউজীরা প্রাণ বাঁচাতে নিকটবর্তী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে; এটা তো বাংলাদেশের দোষ নয়; এখন বাংলাদেশকে তার নিজস্ব রিসোর্স দিয়ে বার্মাকে সাহায্য করতে হবে ফেরত নিতে; তাদের মানবতার বিরু্দ্ধে অপরাধের সাথে বাংলাদেশের কিসের দায়বদ্ধতা? কি ইডিয়ট জাতি এই মগের মুল্লুকের লোকজন?
যেসব রোহিংগা ভয়ে বা ভালো জীবনের আশায় বাংলাদেশ থেকে ফেরত যেতে চাইবে না, তারা "নিজের বাসস্হান সম্পর্কে ইচ্ছাপুর্বক ভুল বলবেই, তারা জানে যে, ভুল বললে বার্মিজ সরকার তাদের ফেরত নেবে না।" বাংলাদেশ কি করে রোহিংগাদের নিজের বাসস্হানের সঠিক প্রমাণ দিতে বাধ্য করতে পারবে? কেন বাংলাদেশকে সেই অবস্হানে যেতে হবে? বাংলাদেশ কি কোনভাবে এই রিফিউজী সমস্যার সৃষ্টির সাথে জড়িত? কিসব ইডিওটিক কথা বলছে দুষ্ট মগেরা!
যাক, বার্মা দুষ্ট জাতি, এরা মগের মুল্লুকে বাস করে আসছে; এরা মংগোলিয়ানদের ও চীনাদের হাতে মার খেয়ে এই এলাকায় চলে এসেছিল; এরা নিজেরাই অমানুষ ছিল, আবার অমানুষদের হাতে নিগৃহিত হয়েছিল; আমরা প্রাকৃতিক কারণে এদের প্রতিবেশী হয়ে ভুগছি।
১৯৯৩ সালে বেগম জিয়ার বিএনপি-জামাতী সরকার ৩ লাখ রোহিগা নিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবসা করেছে; তারা হয়তো নগদ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশী খয়রাত এনেছিল একা আরবদেশ থেকে; তা'ছাড়া, তারা ইউরোপ ও আমেরিকার মুসলিমদের থেকে বিপুল পরিমাণ দান খয়রাত পেয়েছিল; জাতিকে সেই অপবাদ দিচ্ছে এখন মগেরা; এবারও তারা পুরো ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা ও অষ্ট্রেলিয়ায় চাঁদা তুলছে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


