
ব্লগার থেকে বেকার, চাষী থেকে ড্রাইবার, গার্মেন্ট শ্রমিক থেকে প্রবাসী শ্রমিক, ছোট ব্যবসায়ী থেকে বেরাণী, কিংবা শিক্ষক, সবাই মাতৃভুমির জন্য অবদান রাখছেন; তাঁরা এর থেকে আরো অনেক বেশী অবদান রাখতে চান; শুধু সংগঠক নেই; তাই বেশী অবদান রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
সময়কালের সবচেয়ে শিক্ষিত আও্য়ামী লীগার ছিলেন প্রফেসর কবীর চৌধুরী; উনি যদি আজকে বেঁচে থাকতেন, এবং আপনি যদি উনাকে প্রশ্ন করতেন, "পদ্মাসেতু কার অবদান?" আপনার প্রশ্নের প্রশ্নবোধক স্বরটুকু আপনার মুখ থেকে বের হওয়ার আগেই তিনি উত্তর দিতেন, "দেশনেত্রী শেখ হাসিনার অবদান।" যাক, আসল উত্তর হবে, এই দেশের জনতার!
এই দেশের জনতার অবদানকে সব সময় ভুলভাবে গণনা করা হয়েছে; কারণ, পার্লামেন্টে কখনো তাঁদের লোকজন ছিলো না; ওখানে ছিলো শেখ সাহেব, জিয়া, এরশাদ, বেগম জিয়া কিংবা শেখ হাসিনার কলাগাছে; কলাগাছ যে রোপণ করে সেই মালিক, এবং ফল দেয় একবার মাত্র।
সরকারের লোকেরা, বিশেষ করে উঁচু পদের লোকেরা ও ব্যুরক্রেটরা সবচেয় বেশী অবদান রাখার কথা, হয়তো রাখেনও, কিন্তু উনাদের অবদান থেকে উনারা হাজার গুণ বেশী প্রতিদান নিয়ে নেন, কেহ দেয়ার জন্যও অপেক্ষা করেন না। তাদের ভাবসাব দেখলে মনে হয়, তারা জাতির জন্য খেটে মরছেন; আসলে, উনাদের অনুসরণ করে দেখেন, উনারা নিচ্ছে অনেক বেশী, এবং বেশীর ভাগই অদক্ষ। মন্ত্রী ও এমপি পর্যায়ে, কার কি অবদান বুঝা খুবই কষ্টকর; কারণ, কোন হিসেবে মানুষের কাছে কখনো দেয়া হয় না; উনাদের গলাবাজি ও হম্বিতম্বি থেকে যতটুকু অনুমান করা যায়।
বাংগালীরা আজকাল বিশ্বকে বুঝতেছেন, তাঁরা দেখছেন যে, অন্য দেশের মানুষেরা ভালো আছেন; সবাই নিজের মাতৃভুমিকে ভালোবাসেন, মাতৃভুমিতে তাঁদের অধিকার আছে, কথা বলতে পারেন, জানতে পারেন, মাতৃভুমির জন্য অবদান রাখতে পারেন। বিশ্বের অন্যদের মতো বাংগালীরাও সবাই মিলে ভালো থাকতে চান, জাতিকে শক্তিশালী দেখতে চান, জাতির জন্য কাজ করতে চান; জাতির অশিক্ষিত অংশ, দরিদ্র অংশকে সাহায্য করতে চান, সবার ভালোর জন্য আরো অবদান রাখতে চান।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



