
শুক্রবার রাতের ১২টার পর, আমেরিকান "সরকার বন্ধ" হয়ে গেছে; আমেরিকান "সরকার বন্ধ" হয়ে যাওয়া মানে, সরকারের বিলুপ্তি নয়; শুধু সরকার কোন কিছুতে টাকা ব্যয় করতে পারবে না; শুক্রবার রাতে, ১২ টার আগ অবধি "ব্যয় বিল" পাশ করার কথা ছিল; মিটিং চলছিলো, ভোট হওয়ার কথা ছিলো; কিন্তু সিনেটরেরা "ফিলেবাষ্টার" করে ভোটের সময় অতিক্রম করে দেয়; যার ফলে, "ব্যয় বিল" পাশ করা হয়নি। "ফিলেবাষ্টার" হলো, অকারণে কথা লম্বা করে "সময় নষ্ট" করা, যাতে টার্গেট সময়ের মাঝে বিল পাশ না হয়; এটাও একটা পদক্ষেপ। সরকার বন্ধ একটি গণ্তান্ত্রিক পদক্ষেপ, যা প্রেসিডেন্ট ও সরকারকে আমেরিকান কংগ্রস (পার্লামেন্ট) ও সিনেটের উপর নির্ভরশীল করে রেখেছে।
এখন সরকার খুব জরুরী বিষয় ছাড়া অন্য কিছুতে টাকা ব্যয় করতে পারবে না, ও জরুরী কাজের লোকদের ব্যতিত অন্যদের বেতনও দিতে পারবে না। এতে বেশ সমস্যার সৃষ্টি হবে।
গতকালের ব্যয় বিলটি কংগ্রেসে পাশ হয়ে এসেছিল, কিন্তু সিনেট বিলটি আটকায়ে দেয়, যদিও সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যা বেশী, অর্থাৎ ট্রাম্পের পক্ষের সিনেটর বেশী; কিন্তু কয়েকজন ট্রাম্পের পক্ষে ভোট না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সবকিছুর মুলে ডেমোক্রেটদের কয়েকটি বিল ট্রাম্প পছন্দ করছিলো না; এসব বিলের একটা বিল একটি হচ্ছে "ঢাকা" বিল; অন্যগুলো হচ্ছে মিলিটারীর ব্যয় কমানো, ট্যাক্স কমানো। "ঢাকা" বিল হচ্ছে, ১৮ বছরের কম বয়সে যারা আমেরিকায় প্রবেশ করেছিলো, কিন্তু আজও থাকার জন্য লিগ্যাল কাগজপত্র পায়নি; এদের সংখ্যা ৮ লাখ থেকে ৩০ লাখ হবে।
সরকার বন্ধ হওয়ার জন্য আজকের দিনটি হলো সবচেয়ে খারাপ দিন; আজকে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়ার ১ বছর পুর্ণ হলো; অনেক অনুষ্টান হওয়ার কথা ছিলো, অনেক সভা মভা হওয়ার কথা ছিল; এখন টাকার জন্য এগুলো হচ্ছে না; উল্টো কয়েক লাখ নারী ওয়াশিংটনে ট্রাম্প বিরোধী র্যালী করছে। ওয়াশিংটন ব্যতিতও সব বড় বড় শহরে ট্রাম্প বিরোধী র্যালী হচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ ভোর ৪:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




