
মনে হচ্ছে, মাসখানেকের মাঝে শেখ হাসিনা ভারত ভ্রমণে যাচ্ছেন; এই সফর নিয়ে বাংগালীরা অনেকভাবে চিন্তিত হবে, অনেক গুজব ছড়াবে, অনেক প্রশ্ন তুলবে, বিএনপি'র খড়কুটা ধরার চেষ্টা করবে! ভারত নিয়ে বাংগালীরা জেনেটিক্যালী সন্দেহপ্রবন; এবং এর পেছনে কারণও আছে। ভোটের বছর হিসেবে এবারের সফরের সময়টুকু খুবই ক্রিটিক্যাল, বাংগালীমন সন্দেহে ভরে যাবে। শেখ হাসিনার উচিত এই সময়ে ভারত সফরে না যাওয়া।
প্রতিবেশী হিসেবে, ভারতে যেকোন সময়েই যাওয়া যায়; এবং বাংগালীরা প্রতিদিনই যাচ্ছে: কেহ যাচ্ছে ডাক্তারের কাছে, কেহ যাচ্ছে বিয়ের কাপড় কিনতে, কেহ যাচ্ছে ফেনসিডিল কিনতে, কেহ যাচ্ছে গরু আনতে। পানি সমস্যা, তিস্তার পানি চুক্তি, বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে যেকোন সময় গেলে ভালোই হয়; কিন্তু ভোটের আগে শেখ হাসিনা গেলে লোকজন ভয় পাবে।
গতবার ১৫২ সীটে বিনা-প্রতিদ্বন্দীতায় ভোট হওয়ায়, এবারের ভোট নিয়ে মানুষের মনে অনেক শংকা; সময়ের সাথে, ৫ বছর পর মানুষের শংকা কমিয়ে আসার বদলে আরো বাড়ছে; শেখ হাসিনার উচিত, মানুষের মনের শংকা কমিয়ে মানুষের মনে আশার সন্চার করা। ভারত সফর কোনভাবে আশংকা কমাবে না; বরং অনেক বাড়াবে।
সেখ হাসিনা শান্তি নিকেতনে 'বাংলাদেশ ভবন' উদ্বোধন করবেন; আসলে, এসব কাজ করার জন্য সাংস্কৃতিক ও বৈদেশিক মন্ত্রনালয় আছে; শেখ হাসিনা এই সব কাজে দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়ালে ভালো দেখায় না। মোদী ক্ষমতায় আসার সময়, বাংলাদেশ ও ভারতে অনেক আশার সন্চার হয়েছিল; মোদীর দল সেই অনুসারে ভালো করেনি, তার দল ভারতে ধর্মীয় প্রভাব বাড়ি্যে দিয়েছে ও মৌলবাদীরা ভয়ের সন্চার করেছে কয়েক রাজ্যে; এই অবস্হায় মোদীর সাথে দেখা করাটা খুব একটা গুরুত্বপুর্ণ কাজ বলে মনে হচ্ছে না।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




