somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিএনপি'র অভিমান ভাংগিয়ে, আদর করে, ডেকে ভোটে আনা হবে না

০৪ ঠা মে, ২০১৮ রাত ১২:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সেক্রটারী বলেছেন যে, বিএনপি'র অভিমান ভাংগিয়ে, আদর করে, তাকে ভোটে ডেকে আনা হবে না; সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, এটা মোটামুটি অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। দল হিসেবে বিএনপি'র শুরু, ক্ষমতায় থাকার সময়ের আচরণ, বিরোধীদলে থাকার সময়ের আচরণ, সংসদে না থাকার সময়ের আচরণ, সাম্প্রতিক সময়ের আচরণ, সব পর্যবেক্ষণ করছে আওয়ামী লীগ, সব মিলিয়ে দেখছে; এবং এই ধরণের ঘোষণা দিচ্ছে।

রাজনীতির দিক থেকে, আওয়ামী লীগ নিজেই আদর্শ দলের উদাহরণ নয়; তাদের একমাত্র পুঁজি, তারা স্বাধীনতার সময়ের দল; বলতে গেলে, ১৯৭২ সালের শুরু থেকেই তারা জনপ্রিয়তা হারাতে থাকে; স্বাধীনতার পর, আওয়ামী লীগের আচরণে মানুষ হতাশ হয়েছিল। সেই হতাশা ব্যক্ত করতে গিয়ে, আওয়ামী লীগের বেশ পরিমাণ সাপোর্টার বিএনপি'কে সাপোর্ট দিয়েছিল; সেটা আওয়ামী লীগের মান সন্মানের জন্য ক্ষতি হয়েছিল; এর বেশী বাইরে যা ঘটেছিল, সেটা জাতীর উপর দিয়ে গেছে, জাতীয়-ঐক্য ভেংগে গিয়েছিল, যা আর কোনদিন জোড়া লেগেনি।

মানুষ আওয়ামী লীগকে শাস্তি দিতে চেয়েছিল; সেই শাস্তির সুযোগটা এক সময় জনতার কন্ট্রোলের বাহিরে চলে গেছে; সেটাকে কাজে লাগায়েছে মিলিটারী, জামাত ও পাকিস্তানী মিলিটারী। শেখ সাহেবের মৃত্যুর পর, আওয়ামী লীগ তাদের দল নিয়ে ব্যস্ত ছিল, মানুষ নিয়ে তেমন চিন্তিত ছিলো না কোনদিন। তারা মানুষকে দলে টেনে ক্ষমতায় যেতে পারেনি, তাদেরকে অপেক্ষা করতে হয়েছে বিএনপি'র বদনাম হওয়া অবধি, এগুলো রাজনীতি নয়।

মিলিটারী বেগম জিয়াকে ব্যবহার করে, জোড়াতালি দিয়ে ২০০৬ সাল অবধি ক্ষমতা দখল করে রাখতে সমর্থ হয়েছিল; তারা মানুষের কথা পুরোপুরি ভুলে গিয়ে দলের লোকদের জন্য দেশ চালায়েছিলো। এখন তারা আওয়ামী লীগের কৌশলের কাছে ধরা খেয়েছে; এই মহুর্তে, তাদের প্রতিটি পদক্ষেপই তাদের বিপক্ষে যাচ্ছে; দলের এই মর্মান্তিক অবস্হায়, বিদেশে অবস্হানরত, শাস্তিপ্রাপ্ত অপক্ক লোককে তারা সভাপতি বানায়েছে।

২ দিন আগে, মির্জা সাহেব শেখ হাসিনাকে কড়া ভাষায় বলেছেন যে, বিএনপি সঠিক কাজ করেছে, তারেক জিয়াকে সভাপতি বানায়ে; আজকে, মির্জা সাহেব আওয়ামী লীগকে অনুরোধ করছেন "ডায়ালগে" বসতে; এগুলো কি এভাবে কাজ করে; এগুলো কি রাজনীতি?
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মে, ২০১৮ সকাল ৯:১৮
২৯টি মন্তব্য ২৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"কর্পোরেট_ফ্যাক্টসমুহ"

লিখেছেন মামুন রেজওয়ান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"কর্পোরেট_ফ্যাক্ট_২১"



সব সময় ইন্টার্ভিউ দেওয়ার অভিজ্ঞতা আমরা জানতে পারি অনলাইনে। কিন্তু যারা ইন্টার্ভিউ নেন বিভিন্ন পজিশনের জন্য তাদের অভিজ্ঞতা খুব একটা জানা হয়না আমাদের। তাই আমরাও যারা মোটামুটি এক্সপেরিয়েন্স... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা: (দ্বিতীয় পর্ব)

লিখেছেন মৃত্যুঞ্জয়, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০০

কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?

দ্বিতীয় পর্ব: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার বিভাজন এবং অসম প্রতিযোগিতা

একটি শিশুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় প্রাথমিক স্তর থেকে। কিন্তু মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কেমনের দিনে

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×