
বাংলাদেশে টেলিভিশনে যদি পুরো উৎক্ষপেণ দেখায়ে থাকে, কয়েক লাখ বা কোটী মানুষ হয়তো লাইভ দেখেছেন স্যাটেলাইট কিভাব উৎক্ষেপন করা হয়; এর আগে হয়তো কোটী কোটী বাংগালীর পক্ষে এভাবে বিস্তারিত উৎক্ষেপন দেখা সম্ভব হয়নি। ২/৪ মাস আগেও কয়েক কোটী বাংগালী হয়তো জানতেন না যে, তারা একটা স্যাটেলাইটের মালিক। বাংগালীরা আজকেই প্রথম, এবং হয়তো শেষবারের মতোই দেখলেন তাদের নিজের ৫০০০ কোটী টাকার স্যাটেলাইটকে; জীবনের এক বিশাল অভিজ্ঞতা।
শীঘ্রই সবাই ইহার সম্পর্কে ভুলে যাবেন; ইহা থেকে জাতি কোনভাবে উপকৃত হবে কিনা সেটা পরে বুঝা যাবে। তবে, মুলধন উঠে আসার সম্ভাবনা মোটেই নেই। যদি প্ল্যান করে, জাতির উন্নয়নের রোডম্যাপ আঁকা হয়, মনে হয় না, ৫০০০ কোটী টাকা এখন এই সেক্টরে খরচ করার মতো অবস্হানে আছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে এমন অনেক ভিক্ষুক আছে , যারা রাস্তায় ঘুমায়, কিন্তু তাদের কাছে অনেক দামী সেলুলার ফোন আছে; এসব ভিক্ষুকদের অনেকেই নিজেদের সন্তানদের খোঁজ খবর রাখে না , সন্তানদের পড়ালেখার প্ল্যান করে না; এরা মগজহীন মানুষ।
শেখ হাসিনা আজকে বাংলাদেশে প্রাইম মিনিষ্টার, মালয়েশিয়ায় মাহাথিরের ২য় দিন গেলো ক্ষমতায়। বাংলাদেশের আগামী ভোট অবধি ২ জনের কাজকর্ম দেখার সুযোগ পাবেন শিক্ষিত বাংগালীরা। আগামী ২/১ মাসের মাসে যা ঘটবে, তা'হলো, শেখ হাসিনার সরকার থেকে মাহাথিরের কাছে "অনুরোধ যাবে, বেশী করে বাংগালীকে মালয়েশিয়ার নেয়ার জন্য"। ১৯৯৬-২০০১ সালেও শেখ হাসিনা ও মাহাথির সমান্তরালভাবে ২ দেশে কাজ করে গেছেন; তখনও বাংগালীদেরকে মালয়েশিয়া যেতে হয়েছে; আজকে ১৭ বছর পর, আবারো ঠিকই শেখ হাসিনার অনুরোধ পাবেন মাহাথির, বেশী করে বাংগালী নিতে।
এইভাবে জাতি চলতে পারে না; জাতির শিক্ষার জন্য টাকা ব্যয় না করে, এই মহুর্তে অপ্রয়োজনীয় টেকনোলোজীতে এত টাকা খরচ করা; এটা ভালো সেলুলার ফোনের মালিক বাবা ভিক্ষুকের মত আচরণ।
এই ধরণের বিরাট পদক্ষেপ জাতিকে উৎসাহিত করতে পারতো, ঐক্যবদ্ধ করতে পারতো, যদি শুরু থেকে সরকার জাতির সাথে বসে এই ব্যাপারে একটা রোডম্যাপ করতো। এখন এটার উপর জাতির শিক্ষিত অংশ বিভক্ত হবে। তবে, জাতির অনেক শিক্ষিত মানুষও এই ৫০০০ কোটী টাকাকে সরকারী টাকা ভেবে নিজকে চিন্তামুক্ত রাখবে; এর ভালো দিক হলো, বেকুবী তাকে সাময়িকভাবে একটু শান্তিতে থাকতে দেবে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


