
বেকারত্বের একটা সমাধান হিসেবে কোটা সংস্কার চেয়েছেন আমাদের ইউনিভার্সিটির ছাত্রেরা, যা মোটামুটি মোয়া চাওয়ার মতো; তারা প্রতিবাদ করেছে, সরকার বলতে যা বুঝায়, দেশের প্রাইম মিনিষ্টার শেখ হাসিনা কিছুটা চাপে পড়ে কোটা সংস্কার করার জন্য ব্যবস্হা নিয়েছেন। ছাত্ররা মনে করেছিল যে, ২/১ মাসের মাঝেই তা ঘটবে; কিন্তু ঘটেনি!
যখন প্রতাশিত সমযয়ের মাঝে তা ঘটেনি, সংগঠকদের পরবর্তী পদক্ষেপ কি হওয়ার দরকার ছিলো?
আমার ধারণা, কোন না কোনভাবে প্রাইম মিনিষ্টারের সাথে যোগাযোগ করা; বাংলাদেশে সেটা কিভাবে করতে হয়, সেটা সংগঠকদের পক্ষে বের করা অসম্ভব ছিলো না। সবকিছু সঠিকভাবে করতে হয়, চাপ সব সময় কাজ নাও করতে পারে। সংঠককেরা সরাসরি সংবাদ সন্মেলেন করেছেন ও পুরোদেশ অবরোধ করার হুমকি দিয়েছেন।
এটা নির্বাচনের বছর; শেখ হাসিনা সেটা নিয়ে ভয়ংকর ভয়ংকরভাবে ব্যস্ত; কোটা মোটা, বেকারত্ব মেকারত্ব উনার মাথায় আছে বলে মনে হয় না; তবে, স্বাভাবিক পদ্ধতিতে ছাত্রদের সংগঠকরা কোটার কাজকে এগিয়ে নিতে পারতো, চাপ দিতে গিয়ে আপাতত মার খেয়েছে; এই মারের ফলে হয়তো সরকারের পতন শুরু হবে, কিংবা প্রাইম মিনিষ্টার যা বলেছিলেন, তার অনেক কিছু উল্টে যাবে।
ছাত্রলীগ কোনভাবে কোটা সংস্কার চাহেনি; তারা প্রাইম মিনিষ্টারের পদক্ষেপও পছন্দ করেনি; আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কেহ আন্দোলন করুক, সেটা ছা্ত্রলীগ সহ্য করার কথা নয়; এই ব্যাপারটা সংগঠকদের মনে রাখার দরকার ছিলো। প্রশ্ন উঠতে পারে, দেশ কি ছাত্রলীগের একা কিনা? দেশ কখনো ছাত্রলীগ, ছাত্রদল বা শিবিরের একা নয়; কিন্তু এরা দেশের পেশী শক্তি, তাদের দলের সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে, তারা পেশী শক্তি প্রয়োগ করে; হয় এদের পরাজিত করতে হবে, কিংবা ওদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে; যার পক্ষে যেটা সম্ভব।
ছাত্রলীগের ছেলেরা যেভাবে পিটাচ্ছে, এটা নিশ্চয় শেখ হাসিনা চাহেনি; আবার, শেখ হাসিনা নিশ্চয় দেশ ব্যাপি অবরোধ চাইবে না; এর মাঝখানে গ্রহযোগ্য পদক্ষেপ কি ছিলো? আমার মনে হয়, প্রথমত: অপেক্ষা করা, পরে প্রাইম মিনিষ্টারের সাথে যোগাযোগ করা; অবরোধ ঘোষনা করাটা ভুল ছিলো, এতে ছাত্রলীগ সুযোগ পেয়ে গেছে।
ভিক্ষা দেক না দেক, কমপক্ষে কুকুর সামলানোই গৃহস্হের একটা বড় দায়িত্ব।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




