*** ব্লগারদের নিয়ে আমি গর্ববোধ করি, আপনিও ব্লগার, আমার পোষ্ট রিফ্রেশ করবেন না ***
ওবায়দুল কাদের অসুস্হ হওয়ার পর, যেই পরিমাণ উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে, এটা একটা জাতির মানসিক স্বাস্হ্য বুঝার জন্য ও চিন্তিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট ডাটা; শেখ হাসিনা অসুস্হ হলে, আরো পরিস্কার ডাটা পাওয়া সম্ভব হবে। আধুনিক রাজনীতিতে অহিংসার প্রতীক হয়ে আছেন আমাদের উপমহাদেশের একজন মানুষ; আধুনিক রাজনীতিতে হিংসার প্রতীক হয়ে আছেন এই উপমহাদেশের অসংখ্য অসংখ্য রাজনীতিবিদ। অপরাজনীতির কারণে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মাঝে হিংসা ছড়িয়ে পড়েছে, এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিরাজমান হিংসার ঘনত্ব বুঝার সুযোগ হলো ওয়ায়দুল কাদেরের অসুস্হতাকে নিয়ে উল্লাসের পরিমাণ দেখে।
যেসব জাতি নিজেদের মানুষকে হিংসার চোখে দেখে, বাংগালী জাতির নাম সেই লিষ্টে থাকার কথা। হিংসা জাতীয় ঐক্য ধ্বংস করে দেয়, সেটা আপনারা বাংলাদেশে দেখছেন। বাংলাদেশ ব্যতিতও এই ধরণের জাতি বিশ্বে আরো আছে; আমি ইয়েমেনিদের কথা বলতে পারবো; ওরা বাংগালীদের চেয়ে একটু বেশী হিংসুক; সেজন্যই ওরা আরবদের মাঝে সবচেয়ে পেছনে পড়ে-থাকা জাতি। নিজেদের মাঝে অহিংসার প্রতীক হচ্ছে, ইহুদী জাতি!
এক নাগরিক অন্য নাগরিককে হিংসা করার বিবিধ কারণ থাকতে পারে: সামজিক বৈষম্য, ধর্মীয় কারণ, পারিবারিক প্রতিযোগীতা, অন্যের অধিকার খর্ব করা, আরো অনেক অনেক কারণ থাকতে পারে; কিন্তু রাজনীতিই হিংসা বৃদ্ধির কারণ হলে, এটা সাংঘাটিক ধরণের সমস্যার সৃষ্টি করে; কারণ, রাজনীতি হলো জাতির বিকাশের নিয়ামক; বিকাশের নিয়ামকই যদি বিষাক্ত হয়ে যায়, জাতি ভয়ানক মানসিক যাতনায় ভোগে।
অপরাজনীতির হিংসার কবলে পড়েছে সামু ব্লগও; সকল রাজনীতিবিদ সামুর ব্যাপারে উৎসাহী হওয়ার কথা; কিন্তু সামুর পক্ষে কথা বলার জন্য জামাত, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের একজন নেতাকে পাওয়ার কোন সম্ভাবনা হয়তো নেই! সামু যে আছে, সেটা সব দলের নেতারা জানেন; বিশেষ করে, আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানেন; তারা মিডিয়ায় নিশ্চয় সামুর প্রতি প্রতিহিংসার থাবা দেখছেন; কেহ কিছু বলেছেন বলে মনে হয় না। অপরাজনীতি হিংসার ঘনত্ব বাড়াচ্ছে, এবার উহা পরিমণ বুঝার মতো ডাটা আপনারা পেয়েছেন!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





