
বাগদাদে নিহত ইরানী সন্ত্রাসী জেনারেলের ২ মেয়ে ইরানের বড় শয়তানের (ইরানের সুপ্রীম লিডার) কাছে প্রতিশোধ চেয়েছে; বড় শয়তান বলেছে, ইরানের সবাই প্রতিশোধ চায়। আসলে, ইরানের সবাই এই সন্ত্রাসীর জন্য প্রতিশোধ চাওয়ার কথা নয়, ইরানীরা হাজার বছরের জ্ঞানের ধারক ও বাহক ছিলো: ওমর খৈয়াম, শেখ সাদী, কবি ফেরডৌসী, হাফিজদের মতো হাজার গুণীরা জন্ম নিয়েছেন ইরানের মাটিতে।
ফানাটিক ইরানীরা প্রতিশোধ প্রতিশোধ করে চীৎকার দিচ্ছে; আসলে, চীৎকার না দিয়ে, যা ঘটেছে সেটাকে ভালোভাবে বুঝার দরকার আছে: তারা এক শক্ত আমেরিকান প্রেসিডেন্টের সময় পার করছে, বেশী এদিক ওদিক করলে, ভয়ংকর কিছু ঘটবে, তাদের কোন রিফাইনারী থাকবে না, এমন কি ছোটখাট ২/১টা সোনালী ডিম পড়তে পারে ইরানে।
ইরানের সরকারের উপর ২টি শয়তানী শক্তি বসে আছে: ১টা হলো সুপ্রীম লীডার, ইহা ধর্মীয় মানুষ; এসব ধর্মীয় মানুষের জ্ঞান সাধারণ রাজনীতিবিদদের থেকে সব সময় কম; ২য় শয়তান হচ্ছে, ইসলামিক রেভিউলুশনারী গার্ড, ইহা তেলের পয়সা খরচ করে শিয়া সন্ত্রাস রপ্তানী করেছে সিরিয়া, লেবানন, ইরাক, ইয়েমেন ও গাজাতে। ইরানে বেকার আছে, মানুষ নিজের বেতনে চলতে পারে না; কিন্তু হেজবুল্লার ১ জন সদস্য কাজ না করে লেবাননে, ইরানী বেতনে পরিবার নিয়ে আরামে থাকছে।
ইরানের সন্ত্রাস চলে আসছে ৪০ বছর; তারা তাদের সন্ত্রাসকে শীর্ষে নেয়ার জন্য এটম বোমা তৈরি করতে চায়; বেশীরভাগ ইরানী এই ব্যাপারে পাগলের মতো হতাশ, তাদের এটম বোমা খুবই দরকার। কিন্তু এটম বোমা মারার সুইস কার কাছে থাকবে? বেকুব সুপ্রীম লিডারের কাছে?
বারাক ওবামার সরকার ১০ বছর পর, ২টি এটম বোমা তৈরি করার অনুমতি দিয়ে ইরানের সাথে একটা সন্ধি করেছিলো; কিন্তু ট্রাম্প মানুষকে বলেছে যে, ইরানের ধর্মীয় গুরুর হাতে এটম বোমা দেয়া যাবে না, উহা ডামী পাগল। ইরান হয়তো আর কোনদিন এটম বোমা দেখবে না; পাগলামী করলে উহাকে আকাশ থেকে ইরানের মাটিতে পড়তে দেখবে মাত্র; ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্ট হলে, এবং ইরানী লোকেরা মাথা না খাটালে, আগামী ৫ বছরে ইরান হয়তো সব হারাতে পারে; সোলেমানী হত্যা একটা হুশিয়ারী মাত্র।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



