
ঢাকায় মেয়র-ভোটে ইভিএম ব্যবহার করার প্রস্তাব করেছিলো সরকার; সরকারের উদ্দেশ্য যাই থাকুক, বিশ্বে এখন ভোট হচ্ছে ইভিএম'এ; ফলে, সরকার এই ঘোষণা দিয়ে ভালো অবস্হানে গেছে! বিএনপি'র ইশরাক বিদেশী দুতাবাসগুলোতে ইভিএম-বিরোধী নালিশ করেছে, দুতাবাসের লোকজন হাসছে! আওয়ামী লীগ যেভাবে দেশ চালাচ্ছে, বিদেশীরা পছন্দ করছে না, বাংগালীরাও পছন্দ করছে না; তবে, বিদেশীরা বিএনপি'-জামাত জেতার পক্ষে নন।
সরকারের এই পদক্ষেপের (ইভিএম) বিরোধীতা করেছে বিএনপি, এবং সাথে সাথে ইভিএম'এ "ফলাফল বদলে দেয়া যায়" বলে প্রচারণা করেছে! এর ফলে, কম শিক্ষিত ও অশিক্ষিত বিএনপি ভোটারদের অবস্হা কি হয়েছে? উত্তর সোজা, ওরা বিভ্রান্ত হয়েছে ও ধরে নিয়েছে যে, ভোট দিয়ে লাভ নেই, ভোট অন্য পক্ষে চলে যাবে! বেকুবদের অবস্হা বুঝেন।
সরকার বলেছে ইভিএম'এ ভোট হবে, আওয়ামী লীগের ভোটারেরা খুশী; ভাবছে, সরকার জিতার জন্য মেকানিজম বের করেছে হয়তো, সমস্যা নেই জেতার দরকার, এরা উৎসাহিত।
ইভিএম'এর সফটওয়ার'কে কি কোনভাবে সেটআপ করা যাবে যে, ভোটার কাকে ভোট দিক ব্যাপার না, ভোট আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে চলে যাবে? এই সম্পর্কে বুয়েট কথা বলতে পারে! ইভিএম'এর সফটওয়ারের কোড কাহারা বানাচ্ছে, এক্সেকিউটেবল কোড কাহারা কন্ট্রোল করে, এসব সম্পর্কে বুয়েট মানুষকে জানাতে পারে।
যাই ঘটুক, বিএনপি জয়ী হলেও লাভ নেই, তাদের প্রার্থী আওয়ামী লীগ থেকে ভালো নয়; বিএনপি যদি সত্যি জাতীয় অংগনে বিশাল ব্যক্তিদের প্রার্থী করতো, পরাজিত হলে, মানুষ ক্ষুব্ধ হতো, চিন্তিত হতো; খোকার ছেলে, বা মিন্টুর ছেলে পরাজিত হলে, খুশী হওয়ার মানুষ বেশী হবে।
বিএনপি'র মাথা ছিলো কেন্টনমেন্ট, বেগম জিয়া অফিসে বসে আড্ডা দিতেন, কেকের সাথে গ্রীন-টি খেতেন, রিজভী প্রেস বিজ্ঞপ্তি লিখতেন, এই ছিলো বিএনপি'র রাজনীতি; মওদুদ, গয়েশ্বর, বটেশ্বরেরা ছিলেন বেগম জিয়ার নবরত্নরা; সেইদিন আর নেই, ডিজিএফআই বিএনপি অফিস থেকে বেতন নেয় না আজকাল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






