
চীন-ভারত একটা যুদ্ধ হওয়ার ছোট সম্ভাবনা বারবার আসে যায় , কিন্তু যুদ্ধ হয় না; কারণ, ভারতের সরকার ও মানুষেরা এতদিন যুদ্ধ চাহেনি; যুদ্ধ না চাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ। এবার ভারত যুদ্ধ চাচ্ছে, কারণ, এখন ভারতরে সরকার ও তাদরে ২০/৩০ কোটী অনুসারী গোমুত্র পান করে হনুমানে পরণিত হয়ছে। মোদি উন্নয়নের কথা বলে ভোট নিয়ে ভারতে রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠার সব ধরণের চেষ্টা চালাচ্ছে। রাম রাবনের রূপকথার যুদ্ধে রামের জয়ের মুলশক্তি ছিলো হনুমান।
গত সপ্তাহের ওহুদের যুদ্ধের মতো একটা যুদ্ধ হয়ে গেছে, মুল অস্ত্র ছিলো পাথর; ২ পক্ষেই গড়ে ৬০/৭০ জন করে প্রাণ হারায়েছে। ভারতের জনসংখ্যা ১৩৫ কোটী, চীনের জনসংখ্যা ১৪০ কোটী; ২ পক্ষ থেকে ৬০ জন করে কমে গেছে। ২ এটোমিক পাওয়ারের মাঝে পাথর মারামারি হয়েছে, ইন্টারেষ্টিং। হওয়ার দরকার সীমিত এটোমিক যুদ্ধ; সমস্যা হলো, বাংলাদেশে উহার তেজস্ক্রিয়তা চলে আসতে পারে। একটা সীমিত এটোমিক যুদ্ধ হলে, ২ পক্ষ শান্ত হয়ে যাবে কিছু সময়ের জন্য। এটোমিক যুদ্ধের স্হানটা উত্তর ভারতে হতে হবে। ভারতের সংস্কৃতি ও ভাবনাকে বিজিপি যেভাবে পেছনে টানার শুরু করেছে, ইহা থেকে সহজ মুক্তি নেই, সীমিত এটোমিক যুদ্ধ হলে, হনুমানরাই পরাজিত হবে, তখন ভারতের বুদ্ধিমানরা অবস্হা অনুধাবন করতে পারবে, রামরাজ্যের অসারতা বুঝতে পারবে।
হনুমানেরা রাস্তায় নেমে চেঁচামেচি করছে যুদ্ধ যাবার জন্য, এতে ভারতীয় বাহিনীর সাহস যদি বাড়ে খারাপ নয়; গত কিছুদিনের পাথর যুদ্ধে ভারতীয়রা ভালো করে করেছে। হাতাহাতি যুদ্ধে ভারতীয়রা আবার চীনাদের সাথে পেরে উঠার কথা নয়, উহারা গড়ে সোয়া ৫ ফুট হলেও কাংফু'তে ভালো হওয়ার কথা। ভালো কথা যে, মোদী ও তার কেবিনেট যুদ্ধ করার মনোবল দেখাচ্ছে।
আজকে একটা সংবাদ দেখে মনে হচ্ছে, জাতিসংঘের জন্য যুদ্ধটা শেষমেষ হবে না; জাতিসংঘের নিরপত্তা কমিটির অস্হায়ী ১০ সদস্যের মাঝে ভারত নির্বাচিত হয়েছে; ভারতের কুটনীতিবিদরা এখন বড়মুখে যুদ্ধের কথা বলতে চাইবে না, ওরা মনে করবে যে, যুদ্ধ থামানোই নিরপত্তা কমিটির কাজ; ফলে ওরা হনুমানদের পক্ষে না গিয়ে মানুষের পক্ষে থাকতে চাইবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


