
জনসন এন্ড জনসন কোম্পানীর টিকার ৩য় ফেইজ টেষ্ট রেজাল্ট আজকে বের হয়েছে; এই টিকার ভালো দিক হলো, মাত্র ১ ডোজ। এই টিকার টেষ্ট রেজাল্টে দেখা যাচ্ছে, ইহা আমেরিকানদের বেলায় শতকরা ৭৮ ভাগ, এবং সাউথ আফ্রিকা ও ব্রাজিলের বেলায় শতকরা ৬৬ ভাগ কাজ করেছে; ব্যাপার কি হতে পারে?
বিশ্বের যেসব দেশ টিকা দানে বেশী বেশী পেছনে পড়ে যাবে, সেসব দেশে, সময়ের সাথে করোনা ভাইরাস বেশীবার "মিউটেশান" (বিবর্তিত ) করার সুযোগ পাবে; এক সময়, ইহা এমন পর্যায়ে যেতে পারে যে, বর্তমান টিকা হয়তো খুব কম সংখ্যক মানুষের উপর কাজ করবে; তখন টিকা বদলাতে হবে; টিকা বদলানো খুবই সময় সাপেক্ষ ব্যাপার হতে পারে। কোন এক ধরণের টিকা যদি কাজ না করে, সেটার কারণে ভাইরাস কিন্তু নিজকে "মিউটেট" করবে; অর্থাৎ, ভাইরাস টিকে থাকার জন্য চেষ্টা করবে। চীনা ও রাশিয়ান টিকার ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্হার মতামত ভালো নয়; ভারতীয় টিকা নিয়ে অনেক দেশ উৎসাহী নয়।
বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানসহ দ: আমেরিকা ও আফ্রিকার অনেক দেশের সরকারগুলো বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে কিছু করছে না; এরা পেছনে পড়ে গেছে; এসব দেশের সরকারগুলো জানে যে বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্হা ও ধনী দেশগুলো নিজেদের লেজ বাঁচাতে এক সময় ফ্রি টিকা দেবে; এরা নিজেদের মানুষের জন্য চিন্তিত নয়।
আমেরিকা, কানাডা, জাপান, জার্মানী, ফ্রান্স, সুইডেন এখন ব্যস্ত; ২০২১ সালের শেষের দিকে, এদের অবস্হা একটু ভালোর দিকে গেলে, এরা বিশ্বের খোঁজ খবর নিবে।
যেসব দেশে এন্টিবাইওটিক বা এর কাছাকাছি ঔষধগুলো বাজারে খোলা বিক্রয় হয়, সেইসব দেশে করোনা বেশী মিউটেশান করার কথা; ইতিমধ্যে দ: আফ্রিকায় এই ধরণের কোন কারণের ফলে একটা নতুন ষ্ট্রেইনের সৃষ্টি হয়েছে, যেটি খুবই কম সময়ে, অতি সহজে সংক্রমিত হচ্ছে; অর্থনীতির দিক থেকে পুরো আফ্রিকা মহাদেশে দ: আফ্রিকাই সবচেয়ে শক্তিশালী; কিন্তু করোনা নিয়ে সরকারের তেমন মাথা ব্যথা নেই।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


