
এই মহুর্তে আমেরিকান সিনেটের সেশন চলছে; আজকে ট্রাম্পের শাস্তি নিয়ে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো; কিন্তু ডেমোক্রেটরা কিছুক্ষণ আগে সাক্ষী ডাকার কথা তুলেছে; যদি সাক্ষী ডাকে আজকে আর ভোট হবে না। এখন যেভাবে আছে, ভোট হলে, ট্রাম্পকে শাস্তি দেয়ার পরিমাণ ভোট পাবার সম্ভাবনা নেই: দরকার ৬৭ ভোট (১০০ জন সিনেটর থেকে ৩ ভাগের ২ ভাগ )। সিনেটে বর্তমানে ৫০ জন ডেমোক্রেট, ৫০ জন রিপাবলিকান।
জানুয়ারী মাসেই ট্রাম্পকে ইমপিচ করেছিলো হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস; কিন্তু সময়ের অভাবে উহাকে সিনেটে পাঠাতে পারেনি, ২০ই জানুয়ারী ছিলো ট্রাম্পের শেষদিন। ইমপিচ করার ক্ষমতা হলো হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস'এর হাতে; আর,শাস্তি দেয়ার ভার হলো সিনেটের হাতে।
৬ই জানুয়ারী ট্রাম্পের লোকেরা যখন ক্যাপিটল ভবন ( পার্লামেন্ট ) আক্রমণ করেছিলো, সিনেটরেরাও আক্রান্ত হয়েছিলো; কিন্তু রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের কাছে ও আমেরিকান ব্যবসায়ীদের হাতে আটকা আছে। ট্রাম্পকে শাস্তি দেয়ার পক্ষে যেসব রিপাবলিকান সিনেটরেরা ভোট দেবে, আগামী নির্বাচনে তারা ব্যবসায়ীদের ও ট্রাম্পের কোপানলে পড়বে। আমেরিকান সিনেটরেরা কি নিজের ভোটের জন্য অন্যায়কে মেনে নেয়ার কথা? দেখা যাচ্ছে, এই জেনারেশনের সিনেটরেরা তা মেনে নিচ্ছে, আমেরিকা ভয়ংকর সমস্যায় আছে।
ইমপিচমেন্ট বিল সিনেটে পাঠানোর পর, উহার উপর ভোট হয়েছে, ইহা নিয়ে সিনেটে আলাপ হবে কিনা; সেই ভোটের সময়, কমপক্ষে ১ জন রিপাবলিকান সিনেটরের ভোটের দরকার ছিলো, তখন ৬ জন সিনেটর ভোট দিয়েছে; এখন দরকার ১৭ ভোট; সিনেটের যেই অবস্হা, বুঝা যাচছে যে, ১৭ ভোট পাওয়া যাবে না। সিনেট যদি আজকে ট্রাম্পকে বিনা শাস্তিতে ছেড়ে দেয়, ট্রাম্প আগামীকাল থেকে গন্ডগোল শুরু করে দেবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


