
আপনারা খবরে নিশ্চয় দেখছেন যে, পুতিন ইউক্রেন দখলে জন্য সীমান্তে সৈন্য নিয়োগ করেছে! সারা বিশ্ব দেখছে, কিন্তু কেহ পুতিনকে টেলিফোন করে বারণ করছে না কেন? বাংলাদেশ থেকে ব্লগার রাজিব নুর যদি টেলিফোন করেন, পুতিন হয়তো ভয়ে ধরবে না; কিন্তু আমাদের ফরেন মিনিষ্টার বা ফরেন সেক্রেটারী ফোন করে পুতিনকে একটা ঝাড়া দিলে কেমন হয়? কিংবা শেখ হাসিনা পুতিনকে এসব করতে মানা করলে কেমন হয়? ইরানের হোমেনি, তুরস্কের এরদেগান, ভারতের মোদী, কিংবা চীনের শিজিন পিং চুপ করে আছে কেন, মোড়লগিরি করছে না কেন? বিশ্ব থেকে শিষ্ঠাচার কি পালিয়ে গেছে? আজকেই ব্লগার কামারুজ্জমান সাহেব শিষ্ঠাচার নিয়ে পোষ্ট দিয়েছেন; পুতিন মুতিন, পিং মিং, কেহই উহা পড়েনি, আমি পড়েছি; এবং সেইজন্যই এই পোষ্টটা লিখতে পারছি।
বাইডেন টেলিফোন করেছিলো; টেলিফোনে নাকি মোটামুটি ভালো আলোচনা হয়েছে, কিছুটা সফলতা দেখেছে আমেরিকা, ২পক্ষের কথায় আগুন ঝরেনি, শীঘ্রই আরেকবার কথা হবে। কিন্তু টেলিফোনের ২ ঘন্টা পরে, সিএনএন'এ আমেরিকান ফরেন সেক্রেটারী দুনিয়ার দোষ দিচ্ছে পুতিনের উপর ও হাজার ধরণের নিষেধাজ্ঞার কথা বলছে! পুতিন নিষেধাজ্ঞাকে ভয় পাবার মতো লোক? পুতিনের থেকে গ্যাস না পেলে, বৃটেনের রাণী দুপুরের ভাত রান্না করবেন কি দিয়ে, বাংলাদেশের আমের কাঠ দিয়ে? বাংলাদেশে কি এখন আমের কাঠ পাওয়া যায়? বিএনপি'র গয়েশ্বর বাবু মারা গেলে, হয়তো আমের কাঠের বদলে মান্দার কাঁটার কাঠ দিয়ে পোড়াতে হবে!
সামুর লোকজনের অবশ্য ভয় পাবার কিছু নেই, পুতিন দেশটিকে পুরোপুরিভাবে দখল করে রাখবে না, দখল করে সরকার বদলিয়ে দেবে। পুতিন মিয়া ক্ষেপছে কেন? ইউক্রেন চাচ্ছে, ন্যাটোর সদস্য হতে; ইউক্রেনের লোকদের ধারণা, ন্যাটোর সদস্য হতে পারলে, তাদের আর কাজকর্ম করতে হবে না, আমেরিকান ও ইউরোপের টাকায় তাদের জীবন চলে যাবে। ইহাতে পুতিনের সমস্যা কি? পুতিন হলো পুরানা কেজিবি'র লোক, ওরা ন্যাটো শব্দটা শুনতে চাহে না; পুতিন চাচ্ছে, ইউক্রেনের চাষীরা চাষ করুক, মেয়েরা রান্না করুক ও স্বামীর সেবা করুক, ইউরোপে গিয়ে বেশ্যা হওয়ার দরকার নেই; ইহা তো খারাপ কিছু না।
যাক, আমি বলতে চাচ্ছি, আমেরিকা কেন মোড়ল হয়ে যায়, রাজিব নুর কিংবা শেখ হাসিনা কেন মোড়ল হতে পারে না; ইহা পরিস্কার করতে পেরেছি তো?
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



