somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

চোরাবালি-
পোষাক তৈরীর কারখানায় মাসিক বেতনে কামলা দেয় মাস শেষে মাইনের আশায়, যে মাইনে দিয়ে চলবে নিজের পরিবার ও সমাজের জন্য কিছু একটা করার প্রচেষ্টা মাত্র। নিতান্তই সাদামাঠা গ্রাম থেকে আসা স্বল্প শিক্ষিত মানুষ।

ভারতীয় সিনেমার উদ্দেশ্য কি?

০৩ রা মে, ২০১৮ সকাল ১০:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সিনেমা আমার দেখার সুযোগ হয় না বা দেখিও না ইচ্ছাকৃত; দীর্ঘ সময় ধরে বসে সিনেমা দেখার মত ধর্য্য আমার কোন কালেই ছিল না বা এখনও নেই। জীবনে যে সিনেমা হলে যাই নাই এমনও না, ৭০-৮০দশকে জন্ম নেয়া এমন লোক খুব কম পাওয়া যাবে যে কিনা সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখে নাই। সবসময়ই কখনও অর্থেকের একটু বেশী, কখনও অর্ধেক এমন করেই দেখা হত। অথবা বসে থাকলেও বন্ধু বান্ধব মিলে আড্ডা গল্প দিয়ে সময় পার। এজন্য সিনেমা হলের দর্শনার্থীদের সাথে তর্কও লেগে যেত।

যা হউক- লম্বাছুটিতে বাচ্চাদের সময় দিতে গিয়ে কিছুটা তাদের মতই চলতে হল। তাদের পিড়াপিড়তে সিনেমা দেখতে হল তাদের সাথে; -জিও পাগলা- নামের সিনেমাটি নাকি অনেক হাসির তাই তারা বেশ আনন্দ নিয়ে দেখে আমার অগচরে কেননা আমি যখন ফিরি তখন তাদের সিনেমা দেখার সুযোগ নাই। অনন্ত বাধ্য হয়ে দেখতে হল কিছুটা; সিনেমাতে প্রথমেই স্বাচ্ছন্দে অশ্লীল ভাষার ব্যবহার দেখে ভাবলাম আমি হয়তো দীর্ঘদিন দেখি না তাই হয়তো যুগের সাথে খাপ খাওয়াতে পারছি না বলে খটকা লাগছে। কিছু সময় পরই অডিও ইন্টারটেইমেন্ট নামে কিছুটা বিনোদনের নামে কি হল বুঝে উঠতে পারলাম না, আবারও কিছু সময় পর সেই একই অডিও ইন্টারটেইনমেন্ট।

এর পরের দিন স্বইচ্ছায় সুপারহিট -পি.কে- দেখতে বসলাম; অবশ্য এরও একটা উদ্দেশ্য আছে তা হলে কৃঞ্চিৎ হিন্দি চর্চা। কারণ যেখানে কামলা খাটি সেখানে অনেক পাকিস্থানি, ভারতীয় এবং শ্রীলংকান আছে। যারা সবাই হিন্দিতে কথা বলে। যাহউক সিনেমার দৃশ্যপট বা কাহিনি যে অবশ্যই সুন্দর সেটাতে দ্বিমত পোষণ করার কোন কারণ দেখি না। কিন্তু ড্যানসিং কারের দৃশ্যটা না হয় বাস্তবতা বোঝাতে ১বার ঠিক ছিল কিন্তু ৫/৬বার কি জন্য ব্যবহার করা হল সেটি আমার বোধগম্য নয়।

এক মুভিখোর বন্ধুর সাথে আলাপ করে জানলাম প্রায় প্রতিটি সিনেমাতেই এমন কিছু না কিছু অংশ বিশেষ থাকে যা অশ্লীলতাকে উষ্কে দেয়ার পক্ষে অথবা পর্ণগ্রাফির পক্ষে। আসলে এসব মুভির বিশেষ উদ্দেশ্য কি সেটি অবশ্যই ভাবনার বিষয় বটে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মে, ২০১৮ সকাল ১০:৪৬
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"কর্পোরেট_ফ্যাক্টসমুহ"

লিখেছেন মামুন রেজওয়ান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"কর্পোরেট_ফ্যাক্ট_২১"



সব সময় ইন্টার্ভিউ দেওয়ার অভিজ্ঞতা আমরা জানতে পারি অনলাইনে। কিন্তু যারা ইন্টার্ভিউ নেন বিভিন্ন পজিশনের জন্য তাদের অভিজ্ঞতা খুব একটা জানা হয়না আমাদের। তাই আমরাও যারা মোটামুটি এক্সপেরিয়েন্স... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা: (দ্বিতীয় পর্ব)

লিখেছেন মৃত্যুঞ্জয়, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০০

কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?

দ্বিতীয় পর্ব: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার বিভাজন এবং অসম প্রতিযোগিতা

একটি শিশুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় প্রাথমিক স্তর থেকে। কিন্তু মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কেমনের দিনে

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×