somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অতি সাধারন গল্প

২৪ শে জুলাই, ২০১৪ রাত ৯:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রিয়জনের কাছে সব কথা বলতে নেই৷
সেটা দুঃখের হোক,সুখের হোক বা কোন ইচ্ছা৷
যেমন আমার এখন ইচ্ছা করছে চন্দ্রা তার সেই বেগুনী রংয়ের শাড়িতে দেখতে৷ ওকে বললেই ও শাড়িটা পড়ে হাজির হবে,কিন্তু কেন যেন বলতে ইচ্ছা করছে না৷
চন্দ্রা যদি কোন মতে শোনে আমি ট্রেনের রাস্তা ধরে হাটছি তবে ও চলে আসবে৷কিন্তু আমি চাইনা ও জানুক৷

পথ ধরে হাটতে হয় একা একা এখানে শুধু পথ আর পথিক দুজনই সংগী৷পথে বেশিক্ষন হাটলে পথের প্রতি এক ধরনের মায়া চলে আসে৷এই মায়া জন্মাতে বৈরাগী হওয়া লাগেনা৷শুধু পথকেই নিজের সংগী বানাতে হয়৷

চন্দ্রার সাথে আমার প্রথম পরিচয় একটু অন্যভাবে,
একদিন আমি রাস্তার ধারে বসে এক পথশিশুর (মানে আমরা যাকে টোকাই বলি) সাথে গল্প করছি অবশ্য মাঝে মাঝেই করি৷ চন্দ্রা অনেকদিন যাবৎ আমায় ফলো করছে৷ সেদিন হঠাৎই সামনে এসে শাসনের সুরে বললো আপনি এসব উদ্ভট কাজ করে বেড়ান কেন?কথা শুনে মন হলো আমি যেন ওর অনেক আগের চেনা কেউ৷ আমি বললাম কি করি?
রাগস্বরে বললো,এদের সাথে গল্প করেন,রাস্তায় একা একা হাঁটেন,ভিক্ষুকদের সাথেও রাস্তায় খাবার খান!
আমি বললাম ও আপনাকে সাথে রাখিনি সেজন্য রাগ করছেন?
চন্দ্রা আরও রেগে গিয়ে বললো আপনাকে যেন আর এসব পাগলামি না করতে দেখি৷
আমি বুঝতে পারলাম ও আমায় ভালবেসে ফেলেছে৷ কোন নারী তখনই কোন পুরুষের প্রেমে পড়ে যখন তার মাঝে অন্যসব পুরুষের চাইতে আলাদা কিছু তার মাঝে খুঁজে পায়৷
আর ওর আমার এইসব কর্মকান্ডই ভাল লেগেছে৷

সেই থেকে ওর সাথে কথা বলা শুরু৷আমি চন্দ্রাকে ইচ্ছা করেই দূরে দূরে রাখি৷প্রিয়জনদের বেশি কাছে কাছে রাখতে নেই তাতে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে ঠিকই কিন্তু পরস্পরের প্রতি টান টা কমে যায়৷আমি চাই আমার প্রতি ওর এই টান টা এভাবেই সারাজীবন থাকুক.....
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাদা নীল জার্সি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪২


গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাইরে এসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।

দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×