somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ক্লে ডল
কান্না হাসির এই খেলা ঘরে।আমি এক জীবন্ত মাটির পুতুল।সব খেলা সাঙ্গ হবে একদিন।অপূর্ণ স্বপ্নদের কাকুতি থেমে যাবে।মায়ার পৃথিবীর সাথে হবে চির ছাড়াছাড়ি।

আমার একটা সম্পদ আছে, যা আমাকে সুখী করে!!

০১ লা জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




লোকে বলে ধন সম্পদ নাকি মানুষকে সুখী করতে পারে না। কিন্তু আমি বলি, পারে। কেউ কেউ হয়ত উল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিতে পারেন তবে সব ধনীরাই কি সুখী ? তার আগে আমার প্রশ্নের উত্তর দেন ‘সম্পদ’ শব্দটা কেন শুধু অর্থনীতির একার অধিকারে যাবে?
যেসব দ্রব্যের উপযোগ রয়েছে, জোগান চাহিদার তুলনায় সীমাবদ্ধ যা হস্তান্তরযোগ্য এবং বাহ্যিক সত্তার অধিকারী, তাকেই অর্থনীতিতে সম্পদ বলা হয়।
তাত্ত্বিক আলোচনার গোল পাকাচ্ছি না। শুধু জিজ্ঞেস করছি, সুখের অস্তিত্ব কি অর্থনীতিতে আছে? নেই। তাই আমার মনে হয় না অর্থনীতির ওই সম্পদের সাথে সুখের কোন সম্পর্ক আছে। তবে আমার যে সম্পদ আছে তার সাথে জড়িয়ে আছে আমার জগতের শ্রেষ্ঠ সুখের অনুভব।

ভালবাসা কাকে বলে? আমি জানি না। স্নেহ অথবা মায়া, মমতা কি? আমি বুঝি না। আমি শুধু আমার মাকে জানি। মাকে বুঝি।
মাকে নিয়ে ক্ষুদ্র বৃহৎ যত লেখাই পড়েছি। সবই কিভাবে কিভাবে যেন অসামান্য কিছুর মত লেগেছে। মা শব্দটাই যে অসামান্য।কিন্তু আমি মাকে নিয়ে কিছু লেখার দুঃসাহস কখনো করিনি। ভয়ে। হয় নিজেকে ধরে রাখতে পারব না। নতুবা লিখতে গেলে হয়ত এত লিখতে হবে যে আমার বাকী জীবনই কেটে যাবে।

মাকে খুব মিস করছি। মিস করছি মানে স্বার্থপরতা করছি। আমায় নিয়ে একটু উদ্বিগ্নতা, মাথায় একটু স্নেহের পরশ পেতে অথবা গুটিসুটি হয়ে মায়ের বুকের কাছে শুয়ে থাকতে ইচ্ছা হচ্ছে। এগুলোর অভাববোধ করছি বলেই মাকে মনে পড়ছে।

আমার মনে হয় জগতে সবাই ভালবাসার কাঙাল। ভালবাসা পেলেই সে নিজেকে সুখী মনে করে।
মা জানো? আজকে আমার হাতে আগুনের আচ লেগেছে। কিন্তু তোমার মত কারো অন্তর জ্বালা করছে না। বরফ জল নিয়ে ছুটে আসার কেউ নেই।
তবু আমি শ্রেষ্ঠ সুখী! আমার মা। মহামূল্যবান সম্পদ আমার আছে।
তবে সে দেখলে নিশ্চয় আমার হাতের থেকে মন পোড়ার জ্বালাটা কমে যেত। এমন অসুখী অসুখী লাগত না!!

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:১৬
১৪টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইমিগ্রেশনেই ধরা খেল বিএনপির কূটনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪০


ধরুন আপনার পাশের বাড়ির সাথে সম্পর্ক ভালো না। দীর্ঘদিনের পুরনো ঝামেলা, কথা বলাবলি বন্ধ, একে অপরকে দেখলে মুখ ঘুরিয়ে নেওয়ার অভ্যাস হয়ে গেছে। এই অবস্থায় পাশের বাড়িতে একটা বৈঠক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহলে হাদিস সুনিশ্চিত ভাবেই আহলে মোনাফিক ও জাহান্নামী

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৫ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:১৫



সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন মরুঝড়: রেড নোটিশের খোঁজে আরিয়ান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:১৬



দুবাইয়ের জুমেইরাহ বিচের বিলাসবহুল পেন্টহাউসের কাঁচের জানালা দিয়ে বাইরের কৃত্রিম দ্বীপগুলোর দিকে তাকিয়ে ছিলেন সায়েম চৌধুরী। একসময় ঢাকার পুলিশ কমিশনার এবং পরবর্তীতে পুলিশের বিশেষ বাহিনীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ খিদে বন্দি শৈশব

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:০০



সারিবদ্ধ খাবারগুলো সাজানো!
খুব মজার স্বাদ নিশ্চয়?
গন্ধটা কিন্তু বেশ।
ছোট্ট কুসুম দেখে আর ভাবে, এত খাবার কারা খায়?
অকারণে মুখ ভর্তি জল এসে যায়
একটু ঢোক গেলে সে।
এমন সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

×