১। বৌঃ আফনে বিড়ি কাইন?
জামাইঃ বিড়ি না, সিগারেট কাই। ক্যারে?
বৌঃ দিনে কয়ডা কাইন?
জামাইঃ ৫ ডা...
বৌঃ ফত্যেক্টার দাম কত?
জামাইঃ নয় টেহা
বৌঃ কতদিন যাবত কাইতাসুইন?
জামাইঃ ১৫ বসর
বৌঃ তাইলে দেহুইন, আফনে দিনে ৫ডা খাইন,
মাসে ১৫০ডা, ফত্যেক মাসে খরচ লাগে ১ হাজার ৩৫০
টেহা, আর বসরে ১৬ হাজার ২০০ টেহা, টিক কইসি?
জামাইঃ হ, কতা সইত্য।
বৌঃ এক বসরে যদি ১৬ হাজার ২০০ খরস করুইন
তাইলে গত ১৫ বসরে গ্যাসে ২ লাক ৪৩ হাজার টেহা,
টিক কইলাম?
জামাইঃ হ...
বৌঃ তাইলে আফনে ছিন্তা হইরা দ যে,
গত ১৫ বছরে যদি এই টেহাডি ব্যাংকও জমাইতাইন
তাইলে সুদ সহ যে টেকা পাইতাইন
হেইডা দিয়া অতদিনে একটা গাড় মডরসাইকেল অইলেও
তো কিন্তাইন ফারতাইন, নাহি!
.......................................
জামাইঃ বৌ, তুমি বিড়ি কাওনি?
বৌঃ কিতা যে কইন, আমি এইতা কাইতাম ক্যারে?
স্বামীঃ তাইলেতো বালাই, তোমার
গাড়িডা তাইলে আমারে দেও, আমি ছালায়া দেহি
২। বাবা, আজ
একটা ভালো কাজ
করেছি।
বাবা : কী কাজ?
পুত্র : পাশের বাড়ির
মোটকা ভদ্রলোক আছেন
না, রোজ
অফিসে যেতে ট্রেন
ফেল
করেন,
তাকে আজ ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি।
বাবা :
তাই নাকি! কী করে?
পুত্র : প্রতিদিনের
মতো তিনি হেলেদুলে হেঁটে চলছিলেন,
লালুকে (বাঘা কুকুর) লেলিয়ে দিলাম
তার
পেছনে। ব্যস এমন
ছোটা ছুটলেন।.
৩। রাস্তায় সুন্দরী এক মেয়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে বল্টু হোচট খেয়ে রাস্তার
পাশে দাঁড়ানো এক গরুর পায়ের
কাছে গিয়ে পড়লো...
.
.
.
.
.
.
মেয়েটি বল্টুকে লজ্জা দিয়ে বললঃ কি ব্যাপার ভাইয়া, বড় ভাইয়ের পা ধরে কি সালাম করছেন?!
উত্তরে বল্টু বললঃ জ্বী ভাবী....
৪। মানসিক হাসপাতালের এক
রোগী একমনে কী যেন লিখছেন।
চুপি চুপি পেছনে এসে দাঁড়ালেন
ডাক্তার। বললেন, কী হে,
চিঠি লিখছেন
নাকি?
রোগী: হু।
ডাক্তার: কাকে লিখছেন?
রোগী: নিজেকে।
ডাক্তার: বাহ্! ভালো তো।
তা কী লিখলেন?
রোগী: আপনি কি পাগল
নাকি মশাই?
সবে তো চিঠিটা লিখছি।
চিঠি পাঠাব, দুদিন
বাদে চিঠিটা পাব, খুলে পড়ব।
তারপর
তো বলতে পারব
কী লিখেছি!
৫। বাবাঃ আমার জন্য
একটা ড্রিঙ্কস
নিয়ে আসো তো দোকান
থেকে ।
ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ?
বাবাঃ ঠাণ্ডা অফকোর্স !
ছেলেঃ বাবা পেপ্সি নাকি কোক ?
বাবাঃ পেপ্সি
ছেলেঃ বাবা বোতলের
নাকি টিনের ?
বাবাঃ বোতলের ,
ছেলেঃ বড় বোতল
নাকি ছোটবোতল ?
বাবাঃ ছোট বোতল ,
ছেলেঃ আচ্ছা বাবা নরমাল
নাই
ডায়েট ?
বাবাঃ ধুরু ,
লাগবেনা যা পানি নিয়ে আস
এক
গ্লাস ,
ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ?
বাবাঃ অফকোর্স
ঠাণ্ডা ,
ছেলেঃ বাবা খাওয়ার
পানি নাকি ইয়ুজ
করার জন্য ?
বাবাঃ মাইর
খাবি এখন !!
ছেলেঃ বাবা হাত
দিয়ে নাকি লাঠি দিয়ে ?
বাবাঃ বেশি কথা বলস ,
যা ভাগ
সামনেথেকে ,
ছেলেঃ বাবা দৌড়
দিয়ে ভাগব
না হেটে হেটে ?
বাবাঃ বেয়াদব , দিন
দিন
জানোয়ারহইতাসস !
ছেলেঃ কোন
জানোয়ার ?
কুত্তা নাকি বিলাই ?
বাবাঃ আমি এখন
তোরে জবাইকরবো ,
যা বলসি !!
ছেলেঃ বাবা চাকু
দিয়ে নাকি বটি দিয়ে ?
বাবাঃ বটি দিয়ে !!
ছেলেঃ টুকরা টুকরা নাকি বড়
বড়
পিস ?
বাবাঃ হারামি তুই
যাবি??
ছেলেঃ বাবা একলা যাব
নাকি তোমার
সাথে যাব ?
বাবাঃ তোর উপর
থাডা পরুক!
ছেলেঃ বাবা ভুমিকম্প
নাকি বজ্রপাত ?
বাবাঃ ওহ খোদা আমার
হার্ট এ পেইন
হচ্ছে !
ছেলেঃ বাবা হসপিটাল
এ নিয়ে যাব
নাকি ডক্টর ডাকব ??
বাবাঃ পানি দে আমাকে
ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ?
বাবাঃ নরমাল
ছেলেঃ বাবা খাবে নাকি ইয়ুজ
করবে?? .........
আর লিখতে পারলাম
না লিখলেই
বেচারা বাপটা মরে যাবে
৬। একটি ভালবাসার গল্প.
(১)
বছরে একবার হালখাতা হয় করিম মোল্লার দোকানে।
করিম মোল্লার একজন ক্রেতা মজিদ মিয়া।
মজিদ মিয়ার পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা তেমন ভাল না।
মোটামুটি কষ্ট করেই দিন কাটায় সে এবং তার পরিবার।
পরিবার বলতে সে, তার স্ত্রী এবং তাদের একমাত্র সন্তান ঝুমঝুমি।ঝুমঝুমির বয়স ৯ বছর পড়ে ক্লাস থ্রী তে।
মজিদ মিয়ার স্ত্রীর নাম আলেয়া বেগম, খুব ভাল মেয়ে এই আলেয়া।
এত কষ্টের সংসারে কখনই তার মুখের হাসি মলিন হয় না।
মজিদ মিয়া আজ এসেছে করিম মোল্লার দোকানে।
তার দেনা হল ২৩১ টাকা
সে ২৪০ টাকা দিল।
কারণ হালখাতার সময় একটু বেশি টাকা দেয়া ভদ্রতা, কেননা হালখাতা করতে দোকানের মালিকের কিছু টাকা খরচ হয়।
টাকা পরিশোধ করার পর মজিদ মিয়াকে দোকানের একজন কর্মচারি ভিতরে কাপড় দিয়ে ঘেরা ছোট জায়্গাটিতে নিয়ে গেল এবং প্লেটে করে দু'টো সিঙ্গারা দু'টো রসগোল্লা আর কয়েক প্যাঁচ জিলেপী খেতে দিল।
তিন আঙ্গুলের দ্বারা একটি রসগোল্লা মুখের কাছে নিতেই মজিদের মনের পর্দায় ভেসে উঠল দুইটি মায়াবী মুখ।
মজিদ দোকানের কর্মচারিকে বলল একটা ব্যাগে প্লেটের জিনিসগুলো ভরে দিতে।
(২)
বাড়িতে এসে মজিদ ডাকলো,
-আমার মা কই? ঝুমঝুমি মা।
মজিদের স্ত্রী ঘর থেকে বের হয়ে এসে একটা মুচকি হাসি দিয়ে বলল।
-ও তো পাশের বাড়িতে খেলতে গেছে।
মজিদ বলল,
-এই নাও, হালখাতা কইরা আসলাম।
মজিদের স্ত্রী বলল,
-তুমি না খাইয়া ক্যান আনছো?
মজিদ বলল,
-আমিতো খাইছি, এগুলা তোমার আর আমার মায়ের জন্য।
(৩)
বিছানায় শুয়ে আছে মজিদ মিয়া।
পাশের রুম থেকে আলেয়া বেগম এসে বিছানার এক পাশে বসল।
মজিদ বলল,
-মেয়ে ঘুমাইছে?
-হুমম।
-এস তুমিও শুয়ে পর।
বিছানায় উঠে যায় আলেয়া বেগম।
বালিশের নিচে থেকে একটা ছোট থলে বের করে।
সেখান থেকে একটা রসগোল্লা বের করে মজিদ মিয়ার মুখের কাছে ধরে।
বলে,
-খাও।
মজিদ মিয়া বলে,
-তুমি খাও নাই? মেয়ের জন্যে আর তোমার জন্যেইতো আনছি।
-মেয়ে একটা কইরা খাইছে।আর এগুলা তোমার জন্যে রাখছে।
মজিদ মিয়া অর্ধেক খেল বাকিটা স্ত্রীকে খাওয়ালো।
কয়েকটি জিলেপির প্যাঁচ ছিল আর একটি সিঙ্গারা সেগুলোও দুজনে খেল।
(৪)
গভীর রাত।
মজিদ মিয়ার চোখে ঘুম নেই।
সে জানে তার স্ত্রী মেয়েকে জানানোর আগেই তার জন্য ওগুলো লুকিয়ে রেখেছিল।
পাশে গভীর ঘুমে অচেতন তার স্ত্রী।
ইশ মুখটা কি মায়াবী।
মজিদ মিয়া ধীরে ধীরে স্ত্রীর কাছে মাথা এগিয়ে নিয়ে তার কপালে একটি চুমু এঁকে দেয় এবং পাশ ফিরে চোখ বন্ধ করে।
মজিদ মিয়া খেয়াল করেনি তার স্ত্রীর ঠোটে ছোট একটি হাসি খেলে গেছে।
tag:#শাদীএরকম ঘটনা আমাদের সমাজেই ঘটে……
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আপনারা যারা বিশ্বাস করেন না যে ভালবাসা বলে কিছু আছে তারা বলুন মজিদ কেন না খেয়ে ওগুলো বাড়িতে এনেছিল, আর আলেয়া বেগম কেন স্বামীর জন্য লুকিয়ে রেখেছিল?
৭। মার্ক জুকারবার্গের
একটা স্ট্যাটাসে 1425797 টা লাইক।
তার স্ট্যাটাসে একটা কমন্টেই লাইক
পরে 5/6 হাজার !! বাউরে বাউ !!
তার স্ট্যাটাসের কমেন্টের উপর
যে লাইক পরে সেই লাইক
যদি আমি পাইতাম তবে সুন্দর
দেখতে একটা মাইয়া বিয়া করতে পারতাম !!
বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে গেলে,
মেয়ের বাবা জিজ্ঞেস করবে,
বাপা তুমি কি কর ?
আংকেল আমি ফেইসবুক চালাই !!
তা লাইক কত পাও ?
আংকেল মাত্র 5/7 হাজার লাইক
পাই !!
আংকেল একটু অবাক
হয়ে বলবে বাপা তুমি এত্তগুলা লাইক
পাও ? add me add me . i m
block . plz
আমিও একটু ভাব নিয়ে কইতাম
আংকেল
আমার লিষ্ট তো ফুল !! মেয়ের
বাপঃ বাপা plz add me . তোমার
হাতে আমার
মেয়েটাকে তুলে দেব !!
এটাই ফাইনাল কথা !! plz plz add
me !!
আচ্ছা ঠিক আছে আপনি মরব্বী মানুষ
যেহেতু কইছেন
আমি কি তা ফেলতে পারি ? ....
জামাই বাপা পারলে একটু প্রমোট ও
দিও !!
আচ্ছা ঠিক আছে !! (হারামী শশুরের
মেয়ে বিয়ে দেওয়ার
মতলবটা দেখছেন ?)
যাওগ্গা আমি হইতাম পাতিহাসের
প্রথম
সেলিব্রেটি জামাই থুক্কু
ইতিহাসের
প্রথম সেলিব্রেটি জামাই !!
আমার সাইট টা কেমন হয়ছে জানাবেন (আমি নিজে তৈরী করেছি)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




