somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চাঁদ

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং সৌর জগতের পঞ্চম বৃহৎ উপগ্রহ। পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের গড় দূরত্ব হচ্ছে ৩৮৪,৪০৩ কিলোমিটার (২৩৮,৮৫৭ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ৩০ গুণ। চাঁদের ব্যাস ৩,৪৭৪ কিলোমিটার (২,১৫৯ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের এক-চতুর্থাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। এর অর্থ দাড়াচ্ছে, চাঁদের আয়তন পৃথিবীর আয়তনের ৫০ ভাগের ১ ভাগ। এর পৃষ্ঠে অভিকর্ষ বল পৃথিবী পৃষ্ঠে অভিকর্ষ বলের এক ষষ্ঠাংশ। পৃথিবী পৃষ্ঠে কারও ওজন যদি ১২০ পাউন্ড হয় তা হলে চাঁদের পৃষ্ঠে তার ওজন হবে মাত্র ২০ পাউন্ড। এটি প্রতি ২৭.৩ দিনে পৃথিবীর চারদিকে একটি পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করে। প্রতি ২৯.৫ দিন পরপর চন্দ্র কলা ফিরে আসে অর্থাৎ একই কার্যক্রিয় আবার ঘটে। পৃথিবী-চাঁদ-সূর্য তন্ত্রের জ্যামিতিতে পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের কারণেই চন্দ্র কলার এই পর্যানুক্রমিক আবর্তন ঘটে থাকে।Super Hit Hindi Movies
বেরিকেন্দ্র নামে পরিচিত একটি সাধারণ অক্ষের সাপেক্ষে পৃথিবী এবং চন্দ্রের ঘূর্ণনের ফলে যে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ এবং কেন্দ্রবিমুখী বল সৃষ্টি হয় তা পৃথিবীতে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির জন্য অনেকাংশে দায়ী। জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির জন্য যে পরিমাণ শক্তি শোষিত হয় তার কারণে বেরিকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে পৃথিবী-চাঁদের যে কক্ষপথ রয়েছে তাতে বিভব শক্তি কমে যায়। এর কারণে এই দুইটি জ্যোতিষ্কের মধ্যে দূরত্ব প্রতি বছর ৩.৮ সেন্টিমিটার করে বেড়ু যায়। যতদিন না পৃথিবীতে জোয়ার-ভাটার উপর চাঁদের প্রভাব সম্পূর্ণ প্রশমিত হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত চাঁদ দূরে সরে যেতেই থাকবে এবং যেদিন প্রশমনটি ঘটবে সেদিনই চাঁদের কক্ষপথ স্থিরতা পাবে।Super Hit Hindi Movies

প্রাচীন কালে, সংস্কৃতি ছিল বিরল, বেশির ভাগ মানুষেরই নির্দিষ্ট কোন বাসস্থান ছিল না। তারা মনে করতো যে চাঁদ প্রত্যেক রাত্রি মরে ছায়ার জগৎতে চলে যায়। অন্যান্য সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করতো যে চাঁদ সূর্যকে পিছু করছে। পিথাগোরাসের সময় কালে, চাঁদকে একটি গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। মধ্যযুগে কিছু মানুষ বিশ্বাস করতো যে চাঁদ হয়তো একটি নির্ভুলভাবে মসৃণ গোলক যা অ্যারিষ্টটলের তত্ত্ব সমর্থন করতো এবং অন্যান্যরা মনে করতো সেখানে সাগর আছে (সাগর বলতে চাঁদের উপরিতলের অন্ধকার অঞ্চলকে বুঝায় যা চিত্র শব্দতে এখনও ব্যবহার করে)। ১৬০৯ সালে গ্যালিলিও যখন তার দূরবীক্ষণ চাঁদের দিকে ধরলেন, তিনি দেখলেন যে চাঁদের উপরিতল মসৃণ ছিল না। তা হ্মুদ্র কালো রেখা, উপত্যকা, পর্বত এবং খাদের গঠিত হয়। সেই মূহুর্ত থেকে সে অনুভব করে যে এটি পৃথিবীর মতই একটি কঠিন গলিত পদার্থ ছিল যা পরে এই রূপ নেয়। ১৯২০ সালেও মনে করতো যে চাঁদের শ্বাস গ্রহণের উপযুগী বায়ুমণ্ডল আছে (অথবা ঐ সময় বিজ্ঞানের কাল্পনিক বানোয়াট গল্প বলতো) এবং কিছু জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি ক্ষুদ্র বায়ু স্তরের উপস্থিতি আছে বলে অনুমান করতো কারণ চাঁদ পর্যবেক্ষণ সময় তারা অকাঙ্খিত কিছু উড়ন্ত বস্তু দেখে ছিল। উদাহরণ হিসাবে জ্যোতির্বিজ্ঞানী আলফন্স ফ্রেসার তার গবেষণামূলক আলোচনা-গ্রন্থে চাঁদের অকাঙ্খিত উড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে লিখেনঃ আর একটি বিস্ময়কর অকাঙ্খিত বস্তু ১৯২৪ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্ণ চন্দ্র গ্রহণের সময় লেনিংগ্রাডে W. Maltzew মধ্যেমে পর্যবেক্ষণ করেছে তারকা BD-15°6037 ৭তম ম্যাগনিটিয়ুডের। প্রায় ২ সেকেন্ড জন্য মনে হয়েছিল চাঁদের উড়ন্ত বস্তুর (ডিস্ক) গ্রহণ অথাৎ উড়ন্ত বস্তু দ্বারা চাঁদ সম্পূর্ণ ঢেকে গিয়েছিল। চাঁদের বসবাস করার সাথে জরিয়ে আছে অমোচনীয় পানি এবং বায়ু অনুপস্থিতির সমস্যার এবং আলফন্স ফ্রেসা এই শর্তাবলীতে প্রতিবেদন করেছিল: প্রথমে আমাদের জীবনের অর্থের ব্যাপারে একমত হওয়া প্রয়োজন, কেননা, যদি চাঁদে এখনও জীবাণু আশ্রয় খুব অসম্ভাব্য কারণ সেখানে পানি এবং বায়ু অস্তিত এখনো পাওয়া যায়নি।
চাঁদই একমাত্র জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু যাতে মানুষ ভ্রমণ করেছে এবং যার পৃষ্ঠতলে মানুষ অবতরণ করেছে। প্রথম যে কৃত্রিম বস্তুটি পৃথিবীর অভিকর্ষ অতিক্রম করেছিল এবং চাঁদের কাছ দিয়ে উড়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল তা হল সোভিয়েত ইউনিয়নের লুনা ১। লুনা ২ প্রথবারের মত চাঁদের পৃষ্ঠতলকে প্রভাবান্বিত করেছিল। চাঁদের দূরবর্তী যে অংশটা স্বাভাবিকভাবে লুকায়িত থাকে তার প্রথম সাধারণ ছবি তুলেছিল লুনা ৩। এই তিনটি ঘটনাই সোভিয়েত ইউনিয়নের পরিচালনায় ১৯৫৯ সালে সংঘটিত হয়। ১৯৬৬ সালে লুনা ৯ প্রথমবারের মত চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করে এবং লুনা ১০ প্রথমবারের মত চাঁদের কক্ষপথ পরিক্রমণ করতে সমর্থ হয়। যুক্তরাষ্ট্র এদিকে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে পাল্লা দিতে অ্যাপোলো প্রকল্প শুরু করে। পরে ১৯৬৯ সালে, অ্যাপোলো-১১ অভিযান প্রথমবারের মত চাঁদে মনুষ্যবাহী নভোযান অবতরণ করাতে সমর্থ হয়। নীল আর্মস্ট্রং এবং বুজ আলড্রন ছিলেন প্রথম মানুষ যারা চাঁদে হাঁটছে। পরে আরও ১০ মানুষ কেবল চাঁদে হাঁটে ছিল। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে ছয়টি নভোযান চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করে। অ্যাপোলো অভিযানের পর জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা চাঁদে মানুষ পাঠানোর সকল পরিকল্পনা ত্যাগ করে। ২০০৯ সালে প্রথম দিকেভারত, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগীতায় চন্দ্রযান নামে একটি মহাকাশযান চাঁদে পাঠায়। কিন্তু প্রকল্পটিতে সফল হতে ব্যর্থ হয়। মহাকাশযান চাঁদে পৌছার পর পরেই তার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিন্তু অল্প সময়ে যে তথ্য পাঠিয়েছে তা মানব জাতিকে নতুন করে আশার আলো দেখিয়েছে চাঁদে জ়ীবের অস্তিত থাকার কারণ সেখানে পানির অস্তিত পাওয়া গিয়েছে।Super Hit Hindi Movies
Super Hit Hindi Movies
কক্ষীয় বৈশিষ্ট্যসমূহ
অনুভূ: ৩৬৩,১০৪ কিমি (০.০০২৪ জ্যোএ)
অপভূ: ৪০৫,৬৯৬ কিমি (০.০০২৭ জ্যোএ)
অর্ধ-মুখ্য অক্ষ: ৩৮৪,৩৯৯ কিমি (0.00257 জ্যোএ)
কক্ষীয় পরিধি:
২,৪১৩,৪০২ কিমি (০.০১৬ জ্যোএ)
কক্ষীয় উৎকেন্দ্রিকতা: ০.০৫৪৯
নাক্ষত্রিক মাস: ২৭.৩২১ ৫৮২ দিন (27 d 7 h 43.1 min)
যুতিমাস: ২৯.৫৩০ ৫৮৮ দিন (29 d 12 h 44.0 min)
ব্যত্যয়গত মাস: ২৭.৫৫৪ ৫৫০ দিন
ড্রাকোনীয় মাস: ২৭.২১২ ২২১ দিন
ক্রান্তীয় মাস: ২৭.৩২১ ৫৮২ দিন
গড় কক্ষীয় দ্রুতি: ১.০২২ কিমি/সে (২২৮৬ মাপ্রঘ)
সর্বোচ্চ কক্ষীয় দ্রুতি: ১.০৮২ কিমি/সে (২৪২০ মাপ্রঘ)
সর্বনিম্ন কক্ষীয় দ্রুতি: ০.৯৬৮ কিমি/সে (২১৬৫ মাপ্রঘ)
নতি: ভূ-কক্ষের সাথে ৫.১৪৫°
(পৃথিবীর বিষুবের সাথে ১৮.২৯° এবং ২৮.৫৮° -এর মধ্যে)
উদ্বিন্দুর দ্রাঘিমা: পশ্চাদপসরমান,
১৮.৬ বছরে একবার আবর্তন
অনুভূ কোণ: অগ্রসরমান,
৮.৮৫ বছরে একবার আবর্তন
যার উপগ্রহ: পৃথিবী
Super Hit Hindi Movies
ভৌত বৈশিষ্ট্যসমূহ
গড় ব্যাসার্ধ্য: ১,৭৩৭.১০৩ কিমি (পৃথিবীর ০.২৭৩ গুণ)
বিষুবীয় ব্যাসার্ধ্য: ১,৭৩৮.১৪ কিমি (পৃথিবীর ০.২৭৩ গুণ)
মেরু ব্যাসার্ধ্য: ১,৭৩৫.৯৭ কিমি (পৃথিবীর ০.২৭৩ গুণ)
কমলাকৃতি: ০.০০১২৫
বিষুবীয় পরিধি:
১০,৯২১ কিমি
পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল: ৩.৭৯৩×১০৭ কিমি² (পৃথিবীর ০.০৭৪ গুণ)
আয়তন: ২.১৯৫৮×১০১০ কিমি³ (পৃথিবীর ০.০২০ গুণ)
ভর: ৭.৩৪৭৭×১০২২ কেজি (পৃথিবীর ০.০১২৩ গুণ)
গড় ঘনত্ব: ৩,৩৪৬.৪ কেজি/মি৩
বিষুবীয় পৃষ্ঠের অভিকর্ষ:
১.৬২২ মি/সে২ (০.১৬৫৪ জি)
মুক্তি বেগ: ২.৩৮ কিমি/সে (৫৩২৪ মাপ্রঘ)
নাক্ষত্রিক ঘূর্ণনকাল:
২৭.৩২১ ৫৮২ দিন (সঙ্কালিক)
বিষুবীয় অঞ্চলে ঘূর্ণন বেগ:
৪.৬২৭ মি/সে (১০.৩৪৯ মাপ্রঘ)
এক্সিয়াল টিল্ট: ভূ-কক্ষের সাথে ১.৫৪২৪°
ক্রান্তিকোণ: কক্ষীয় সমতলের সাথে ৬.৬৮৭°
প্রতিফলন অনুপাত: ০.১২
পৃষ্ঠের তাপমাত্রা:
বিষুব
৮৫°উ
সর্বনিম্ন গড় সর্বোচ্চ
১০০ কে ২২০ কে ৩৯০ কে
৭০ কে ১৩০ কে ২৩০ কে
আপাত মান: −১২.৭৪ পর্যন্ত
কৌণিক আকার: ২৯′ থেকে ৩৩′
বিশেষণসমূহ: চন্দ্রীয়
Super Hit Hindi Movies
বায়ুমণ্ডল
ঘনত্ব: ১০৭কণা সেমি−৩ (দিন)
১০৫কণা সেমি−৩ (রাত)


Super Hit Hindi Movies
Super Hit Hindi Movies
Super Hit Hindi Movies
Super Hit Hindi Movies
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×