
সুন্দর মুখের জয় যেমন সর্বত্র তেমনি সুন্দর হাতের লেখারও।
লেখক যত কৌতূহলী হয় তার তার সাহিত্যভাণ্ডার তত সমৃদ্ধ হয়।
মহা ভোগান্তির অপর নাম ’পেনশন উত্তোলন’।
হজের পর নারীরা নয়, পুরুষরাই আলহাজ লাগায়।
উটের দৃষ্টি ওপরের দিকে হলেও মুচির দৃষ্টি জুতার দিকেই থাকে।
মানুষ সৎ না হলেও সৎ খেতাব পছন্দ করে।
বিয়ের আগে নারী নিজ নামে যতটুকু পরিচিতি লাভ করে বিয়ের পরে সেটুকুরও ভাটা পড়ে।
মানুষ জন্মগতই প্রতিশোধপরায়ণ।আমাদের সাহিত্য ও সংস্কৃতি অবলীলায় এ ধারাটি বজায় রেখেই চলছে।
বাচনভঙ্গি হলো ছায়ার মতো। এটা ছাড়া মানুষ চলতেই পারে না।
বর্তমানে সুযোগের সদ্ব্যবহারের চেয়ে অসদ্ব্যবহারই বেশি হয়।
যৌন চাহিদা মিটাতে মানুষ মূলত অন্ধকারকেই বেছে নেয়।
মানুষ আলো খুঁজলেও ভেতরে ভেতরে অন্ধকারকেই লালন করে।
হাদিয়ার পরিমাণ বেশি হলে দোয়ার কলেবরও বেড়ে যায়।
মানুষমাত্রই সম্প্রদায়গত দুর্বল।
রেস্টুরেন্টের বয়, হাসপাতালের মাসি উভয়েই বেতন নির্ভর নয়, উপরিইনকাম নির্ভর।
শুধু রোদ্রের তাপেই মানুষ ঘামে না; আকস্মিক ব্যর্থতায়ও ঘামে।
সম্পর্ক হলো আঁঠার মতো। স্বার্থ সেখানে তাপের ভূমিকায় কাজ করে।
শব্দদূষণযুক্ত এলাকার লোকজনের মেজাজ তুলনামূলক খিটখিটে থাকে।
ছোটো ছোটো চিন্তাগুলো নোট করে রাখলে একসময় তা বৃহৎ হয়ে কাজে লাগে।
সবচেয়ে বড়ো প্রপাগাণ্ডা বাদুর মুখ দিয়ে পায়খানা করে।
যারা বেশি বাছ-বিচার করে খায়-তারা সাধারণত অরুচিতে ভোগে।
অপেক্ষার চেয়ে প্রতীক্ষার প্রহর দীর্ঘতর।
শিশুদের দাবি আদায়ের হাতিয়ার হলো কান্না।
তীব্র কৌতূহলই লেখককে সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে দেয়।
ভালো লেখক হওয়ার পূর্বশর্ত ভালো পাঠক হওয়া।
প্রতিনিয়ত পড়ার মানেই হলো ব্রেইনকে শান দেওয়া।
কৌতূহল শেষ হলেই লেখকের মৃত্যু হয়।
মুনশি আলিম
জাফলং, সিলেট
[email protected],
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১১:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


