স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন ও নিরাপদ জীবিকায়নের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশ ও ব্যবহার অপরিহার্য। প্রান্তিক পর্যায়ে তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করতে পারলে উন্নয়নে স্থায়িত্বশীলতা আসবে। এ জন্য গ্রামীণ পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তিকে পৌছে দিতে স্থানীয় উন্নয়ন সংগঠনসমূহকে তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে আরো নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে। শনিবার নোয়াখালীতে অনুষ্ঠিত 'স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নে তথ্য-প্রযুক্তি' শীর্ষক এক পরামর্শ সভায় বক্তরা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। উন্নয়ন সংগঠন পার্টিসিপেটরি রিসার্চ এন্ড অ্যাকশান নেটওয়ার্ক-প্রান এ পরামর্শ সভার আয়োজন করে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ সভায় উপকূলীয় অঞ্চলে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে দারিদ্র্য বিমোচন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাওয়া ও মানবসম্পদ উন্নয়নে কিভাবে ভূমিকা রাখা যায় তা নিয়ে বিভিন্ন কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়। সভায় নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলার মোট ২০টি উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সরকারি কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, সারা দেশের তুলনায় এ অঞ্চলে শিক্ষার হার ভালো। কিন্ত এখানে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেশি এবং তাদের আয়ের কোন সুযোগ নেই। এখান যুব সমপ্রদায় আগামীতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে আয় বাড়ানোর সুযোগ সহ জীবনযাত্রার মান বাড়াতে পারে। একই সাথে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ অন্যান্য সামাজিক দুর্যোগসমূহকে মোকাবেলা করতে পারবে। তাই তথ্য-প্রযুক্তিকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। পরামর্শ সভায় আগামি ৬ মাসের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এ সময়ে স্থানীয় উন্নয়ন সংগঠনসমূহ তাদের চলমান কাজের সাথে তথ্য-প্রযুক্তিকে সম্পৃক্ত করার জন্য নীতিমালা তৈরি করা, ৩টি পরীক্ষামূলক জনতথ্য কেন্দ্র চালু করা এবং সংগঠনসমূহের তথ্য-প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করবে। সভাটি সঞ্চালন করেন প্রানের প্রধান নির্বাহী নুরুল আলম মাসুদ। প্যানেল আলোচক ছিলেন নোয়াখালী জেলা তথ্য কর্মকর্তা মমিনুল হক ও এনআরডিএসের প্রধান সমন্বয়কারী আবদুল আউয়াল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

