শেখ হাসিনার ৫২ দিনের অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা দলের মধ্যে সংস্কারের দাবি জানালেও এখন তারা বিষয়টি ছেড়ে দিতে চান শেখ হাসিনার একক সিদ্ধান্তের ওপর। ঢাকায় অবতরণের পর শেখ হাসিনাকে হাজার হাজার দলীয় নেতা-কর্মীর উষ্ণ সংবর্ধনা জানানোর পর দ্রুত বদলে গেছে সব দৃশ্যপট। সারা দেশে দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত শেখ হাসিনা দেশে ফেরার মাত্র কয়েকদিন আগে সংস্কারের দাবি তুলে দলের মধ্যে ঝড় তুলেছিলেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল চিকিৎসার জন্য সম্প্রতি সিঙ্গাপুর রওনা হওয়ার আগে বেশ কয়েকবার টেলিফোন করলেও সুরঞ্জিত ফোন ধরেননি।
এর মাত্র কয়েকদিন পরে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বেসরকারি টিভি চ্যানেল বাংলাভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে সংস্কারের পক্ষে কথা বলেছেন। এ ব্যাপারে শেখ সেলিমের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে তার খণ্ডিত বক্তব্য প্রচার করায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং ২৮ অক্টোবর পল্টনে মানুষ হত্যার ঘটনায় চার্জশিটে নাম প্রকাশের পর আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের অনেকেই নীরব ছিলেন।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ওপর সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করলে তিনদিন পর দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান একটি দায়সারা বিবৃতি দিলেও অন্য নেতাদের নীরবতা নিয়ে তখন প্রশ্ন ওঠে। গত সোমবার শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদ এবং মতিয়া চৌধুরী শেখ হাসিনার সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। শেখ সেলিম বরাবরের মতোই শেখ হাসিনার যে কোনো সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত বলে জানা গেছে। শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে যাদের অন্তর্বর্তীকালীন অথবা জাতীয় সরকারে স্থান পাওয়ার কথা শোনা যাচ্ছিল তারা সকলেই এখন শেখ হাসিনার চারপাশে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

