দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিরসনের জন্য ঢাকা সিটির চার প্রান্তে প্রতিটি ৫০ হাজার বর্গফুট আয়তনের মোট চারটি প্রিফেব্রিকেটেড বিল্ডিং (চৎবভধনৎরপধঃবফ ইঁরষফরহম), ও খোলা বাজার স্থাপন করা যেতে পারে। যার প্রতিটির জন্য সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ১.৫ কোটি টাকা, অর্থাৎ চারটির জন্য এ ব্যয় হবে প্রায় ৬ কোটি টাকা। ২৪ ঘণ্টার জন্য এসব উš§ুুক্ত ‘মল’ বা ‘খোলা বাজারে’ কৃষক, মৎস্যজীবী, চাল, ডাল, হলুদ, মরিচ, আদা, রসুন, পিয়াজ, তেল, সবধরনের শাকসবজি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের উৎপাদনকারী এমনকি হকারও তার বিক্রিতব্য মালামাল নিয়ে বসার সুযোগ পাবে। এতে করে দ্রব্যমূল্য বাড়াতে মূল ভূমিকা পালনকারী মধ্যস্বত্ব ভোগীর অস্তিত্ব আর থাকবে না। যার কারণে নরসিংদীতে স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত ৪ টাকার বেগুন ও ৫ টাকার করল্লা ঢাকার নিউমার্কেট, কাওরান বাজারে ২০ টাকা ও ২৫ টাকা দিয়ে কিনতে হয়। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে পোহাতে হয় দুর্ভোগ। এ ব্যবস্থায় কৃষক সরাসরি তার উৎপাদিত মাল এখানে নিয়ে এসে যেমন বিক্রি করবে তেমনি সে নিজে যাওয়ার সময় তার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র একই মার্কেট থেকে ক্রয় করে নিতে পারবে, ফলে সাধারণ মানুষ তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থেকে জীবনযাপন করতে সুযোগ পাবে। অস্থায়ীভাবে এসব দোকানি ‘আগে আসলে আগে জায়গা পাবে’ ভিত্তিতে পাওয়া জায়গায় নিজের জিনিস বিক্রির পর যার যার বাসস্থানে চলে যাবে। আবার অন্য দোকানি সে স্থানে বিক্রির সুযোগ পাবে। যাতে কারো একান্ত মালিকানার কোনো স্থান বা হস্তক্ষেপ কোনোটাই থাকবে না। সরকার এ ধরনের স্থাপনার জন্য যদি কোনো ব্যাংক লোন চায় তাহলেও ‘দি সিটি ব্যাংক’ এবং ‘ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক’ এ প্রকল্পে ঋরহধহপব করতে আগ্রহী হবে বলে আমি মনে করি। পরবর্তীতে, পর্যায়ক্রমে এ ধরনের ‘মুক্ত বাজার’ প্রত্যেক জেলা শহরেও স্থাপন করা যেতে পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

