পর্যটন একটি শিল্প। বাংলাদেশের পর্যটন বর্তমানে সম্পূর্ণভাবেই ভেঙে পড়েছে। কক্সবাজারে পৃথিবীর খড়হমবংঃ ঝবধ নবধপয যা প্রায় ১২০ কিঃমিঃ দীর্ঘ, পৃথিবীর কোথাও যেখানে এত বড় খড়হমবংঃ নবধপয নেই, সেখানে ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস যে, আমরা এটাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারিনি।
আমার পরামর্শ হচ্ছে, পর্যটক আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে এ অঞ্চলকে খরনবৎধষ তড়হব উবপষধৎব করে একই সঙ্গে কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, কুয়াকাটা, সেন্টমার্টিন, মহেশখালী, সুন্দরবন এ অঞ্চলগুলো ২০ বছর মেয়াদে ঔধঢ়ধহবংবদের কাছে চুক্তির ভিত্তিতে দেয়া যেতে পারে। অন্যান্য অবকাঠামোর সঙ্গে ঔধঢ়ধহবংব’রা কক্সবাজারে ওহঃবৎহধঃরড়হধষ অরৎঢ়ড়ৎঃ করবে। এবং বিশাল বিশাল ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঐড়ঃবষ করবে। তখন সারা পৃথিবী থেকে পর্যটকেরা এ দেশে আসা শুরু করবে। এতে করে আমাদের ঋড়ৎবরমহ ঈঁৎৎবহপু ঊধৎহরহম হবে, দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন অঁঃড়সধঃরপধষষু হবে। এই ভাবে থাইল্যান্ড, কোরিয়াসহ অন্যান্য দেশ তাদের উবাবষড়ঢ়সবহঃ করেছিল। বর্তমানে চুক্তির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়াতে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ এ ব্যবস্থার আওতায় স্ব স্ব দেশের হাতে উক্ত স্থাপনাগুলো ছেড়ে দিয়েছে। যা সামগ্রিক ব্যবস্থায় আমরা দৃষ্টান্ত হিসেবে গ্রহণ করতে পারি।
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে, আপনি নিজে তদারকি করতে সক্ষম হলে কাজ হবে বলে আশা করা যায়। বর্তমানে আপনার সরকার কাজ করার যে সুযোগ পেয়েছেন তা অতীতের কোনো প্রতিষ্ঠিত সরকার ইতিপূর্বে পায়নি। সিদ্ধান্তহীনতা, অভিজ্ঞতা, সদিচ্ছার অভাব ও প্রতিহিংসা ও দলীয়করণের কারণে অতীতে অনেক কিছুই করা সম্ভব হয়নি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

