somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অতীত ভোলেননি মেসি ।

১৪ ই মে, ২০১২ রাত ১২:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মরক্কোর ১২ বছর বয়সী শিশু ওয়ালিদ কাশাশ। ছোট্ট এই শিশুর সঙ্গে দারুণ মিল লিওনেল মেসির! ছোটবেলায় বার্সার এই আর্জেন্টাইন জাদুকরের শরীরে গ্রোথ হরমোনের অভাব দেখা দেয়, কিন্তু পরিবার অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা করাতে পারছিল না। ঠিক একই অবস্থা কাশাশেরও।
দুজনের মধ্যে মিল রয়েছে আরও। মেসির মতো শিশু কাশাশও ফুটবল ভালোবাসে, বড় ফুটবলার হতে চায়। কিন্তু বাধা হয়ে আছে গ্রোথ হরমোনের স্বল্পতা, যার কারণে স্বাভাবিক শিশুর মতো শারীরিক বৃদ্ধি হচ্ছে না ওর।
কাশাশের দুঃখটা মেসির চেয়ে তাই অন্য কারও বেশি জানার কথা নয়। ছোট্ট মেসির চিকিৎসা আটকে থাকেনি, দায়িত্ব নিয়েছিল বার্সেলোনা। কিন্তু কাশাশের কী হবে?
গোল ডটকমের খবরে বলা হয়েছে, আটকে থাকছে না কাশাশের চিকিৎসাও। মরক্কোর এক নারী ফুটবলপ্রেমী শিশুটির অবস্থা অবহিত করেন ছোটবেলার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ফুটবল জাদুকরে পরিণত হওয়া লিওনেল মেসিকে। জানান, প্রতি ১৫ দিনে কাশাশের চিকিৎসা বাবদ খরচ হচ্ছে ১৬৭ পাউন্ড। কিন্তু এত অর্থ খরচ করা ওর পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। ওই নারীকে বিমুখ করেননি মেসি। আগামী ছয় বছর, অর্থাত্ কাশাশের বয়স ১৮ বছর হওয়া পর্যন্ত ওর চিকিৎসার সব খরচ বহন করবেন মেসি।
মেসির বয়স তখন ১১। এই কাঁচা বয়সেই যুবদলের হয়ে নিজের উত্থানের ইঙ্গিত দেন মেসি। ছোট্ট ছেলেটির ফুটবল নৈপুণ্যে মুগ্ধ হয় সবাই। কিন্তু সমস্যা হলো, মেসির শরীরে হরমোনের অভাব ধরা পড়ে। চিকিৎসা বাবদ প্রতি মাসে মেসির প্রয়োজন ছিল ৯০০ ডলার। ওই সময়ে আর্জেন্টিনা ছিল চরম অর্থনৈতিক মন্দায়। দেশটির কোনো ক্লাবই মেসির পেছনে এই অর্থ ব্যয় করতে রাজি ছিল না।
মেসির ফুটবল ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যেতে পারত ওখানেই, কিন্তু হয়নি। ভাগ্যের সহায় আর ‘জাদুকরী’ ফুটবল প্রতিভার জন্য ছেলেটি নজরে পড়ে যায় বার্সেলোনার। আর এখান থেকেই ‘দ্বিতীয়’ জীবন শুরু হয় মেসির।
আর্জেন্টিনার চিকিত্সকেরা আশঙ্কা করেছিলেন, গ্রোথ হরমোনের অভাবের কারণে মেসি বড় জোর ৪ ফুট ৭ ইঞ্চি লম্বা হতে পারেন। কিন্তু মেসির উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ক্লাবের ইতিহাসে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ খরচ করে বার্সা। যার ফল আজকের মেসি—উচ্চতায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। জীবনের শুরুতেই ফুটবল ক্যারিয়ার শেষ হওয়ার আশঙ্কায় পড়া ছেলেটি এখন বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের একজন। কে জানে মরক্কোর শিশু কাশাশও হয়তো একদিন মাতাতে পারেন ফুটবলবিশ্ব!

Click This Link
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×