চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের তিনটি গার্ডার ভেঙে পড়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহ আমানত সেতুর সংযোগ সড়কের বহদ্দার পুকুর পাড়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থল থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মিন্টু চৌধুরী জানান, গার্ডার ভেঙে পড়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতা ফ্লাইওভারের নির্মাণসামগ্রী ও সরঞ্জামে আগুন ধরিয়ে দেয়।
নির্মাণাধীন ওই ফ্লাইওভারের পাশেই শাহ আমানত ডেকরেটরস।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক শাহ হাজি মো. বখতেয়ার বলেন, তিনটি গার্ডার পরপর ভেঙে পড়তে দেখেছি। আমার ধারণা এগুলোর নিচে ৬০ থেকে ৭০ জন চাপা পড়ে থাকতে পারে।
স্থানীয়রা বলছেন, নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারটির নিচ দিয়ে প্রতিদিন বিকালে অসংখ্য মানুষ চলাফেরা করে। বিশেষ করে গার্মেন্ট শ্রমিক। তাছাড়া তরকারি ব্যবসায়ীরাও প্রতিদিন এর নিচে বসে বেচাকেনা করেন।
ফলে গার্ডারের নিচে তাদের অনেকেই চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান পৌনে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা সেনাবাহিনীকে খবর দিয়েছি। আশা করছি কিছুক্ষণের মধ্যেই উদ্ধার তৎপরতা শুরু হবে।”
ওই সময়ই ফের বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীরা। এ সময় তারা কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মিন্টু চৌধুরীর মোটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিবেদক তাবারুল হক জানান, আহত ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক আব্দুর রহমান তাকে জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ২০১০ সালের ডিসেম্বরে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ ফ্লাইওভারের ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি টাকা।
পারিশা এন্টারপ্রাইজ ও মীর আক্তার এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এই নির্মাণ কাজ করছে। চলতি বছরের ২৯ জুন একই ফ্লাইওভারের গার্ডার ভেঙে পড়ে এক রিকশাচালক আহত হয়েছিলেন।
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


