somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দোষটা কি কপালের, নাকি রক্তের.... :-0 :-< :||

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঐতিহাসিক ভাবেই মনে হয় এই ভুখন্ড বা এই অঞ্চলের জনগন একটু বেশীই লোভী, আত্নকেন্দ্রিক, আর চরমমাত্রার স্বার্থপর । এবং যুগযুগ ধরে এটা চলমান থাকার কারণে আমাদের রক্তের সাথে মিশে মিশে, একরকম আমাদের রক্তের দোষে পরিনত হয়েছে। আর তাই , আমরা যে জাতি হিসেবে দিন দিন নিজেদের সর্বনাশ নিজেরাই ডেকে আনছি, এই সত্যটা মেনে নেওয়ার সময় বোধহয় দ্রতই শেষ হয়ে যাচ্ছে। দেশপ্রেমের নামে আমরা যে আত্মপ্রেমে ডুবে আছি, নিজের দোষ ঢেকে সবকিছুর দায় "দেশ" নামক এক অসহায় বিমূর্ত সত্তার ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছি, তার শিকড় খুঁজতে গেলে প্রথমেই এসে দাঁড়াতে হয় আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সামনে। যে ব্যবস্থা মানুষ তৈরি করার কথা ছিল, সেটা আসলে তৈরি করছে চাকরিপ্রার্থী এক মিছিল — আত্মনির্ভরতা শেখানোর বদলে শেখাচ্ছে একটা ভালো বেতনের চাকরির পেছনে সারাজীবন দৌড়ানো। আর নীতি-নৈতিকতা শেখানোর কথা যখন আসে, তখন প্রশ্ন জাগে — যে শিক্ষক নিজেই ঘুষ আর দুর্নীতির মাধ্যমে চেয়ারে বসেছেন, তিনি কোন মুখে ছাত্রকে সততার পাঠ দেবেন? একটা প্রজন্ম যখন এমন হাতে গড়া হয়, তখন তার কাছ থেকে নৈতিক মেরুদণ্ড আশা করাটাই বাড়াবাড়ি। আর এখানেই সবচেয়ে ভয়ংকর সত্যটা লুকিয়ে — আমরা শুধু একটা ভাঙা ব্যবস্থাই রেখে যাচ্ছি না উত্তরসূরিদের জন্য, আমরা রীতিমতো উত্তরাধিকারসূত্রে তুলে দিচ্ছি অসভ্যতা, পরশ্রীকাতরতা আর দুর্নীতিবাজ হয়ে ওঠার সূক্ষ্ম কৌশলগুলো। রাস্তায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা বা প্রস্রাব করা, ফুটপাতে বাইক তুলে দেওয়া, প্রতিবেশীর সাফল্যে আনন্দিত না হয়ে ঈর্ষায় জ্বলা, ঘুষ দিয়ে কাজ উদ্ধার করাকে "বুদ্ধিমত্তা" ভাবা — এসব আমরা মুখে শেখাই না ঠিকই, কিন্তু চোখের সামনে বারবার করে দেখিয়ে দিই। সন্তান বড় হয় বাবাকে দেখে ট্রাফিক পুলিশকে ঘুষ দিতে, মাকে দেখে প্রতিবেশীর ভালো কিছু নিয়ে কটূক্তি করতে। এভাবেই যুগ যুগ ধরে একটা জাতি নিজের সবচেয়ে খারাপ দিকগুলোকেই সবচেয়ে যত্ন করে পরের প্রজন্মের হাতে তুলে দেয় — এক ভয়াবহ, অদৃশ্য শিক্ষা-ব্যবস্থা, যার কোনো পাঠ্যবই নেই কিন্তু প্রভাব সবচেয়ে গভীর।
এই ফাঁপা শিক্ষা আর বিষাক্ত উত্তরাধিকারের সঙ্গে যখন যুক্ত হয় ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বৈষম্য, তখন সমাজের অঙ্কটা আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। যখন সৎ পথে উপার্জনের সুযোগ সংকুচিত হয়ে আসে আর সম্পদের পাহাড় জমে থাকে হাতে গোনা কিছু মানুষের কাছে, তখন "অর্জন করা"র চেয়ে "ছিনিয়ে নেওয়া" অনেক বেশি সহজ আর লোভনীয় বিকল্প হয়ে দাঁড়ায়। তাই চুরি-ছিনতাই যে দিন দিন বাড়ছে, সেটা কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা নয় — এটা একটা ভেঙে পড়া সামাজিক চুক্তির স্বাভাবিক পরিণতি। আর তার ওপর যখন যোগ হয় নীতিমালাহীন, নিয়ন্ত্রণহীন ইন্টারনেট — যেখানে কনটেন্টের কোনো জবাবদিহিতা নেই, প্রবেশাধিকারের কোনো সীমারেখা নেই — তখন জুয়া আর ধর্ষণের মতো অপরাধ বেড়ে চলাটাও আর বিস্ময়ের কিছু থাকে না।
এই অসততার ব্যাধি সবচেয়ে ভয়ংকরভাবে ছড়িয়ে পড়েছে সেসব জায়গায়, যেখানে মানুষের বেঁচে থাকাটাই নির্ভর করে বিশ্বাসের ওপর। যে খাবার আমরা প্রতিদিন মুখে তুলি, তাতেও আজ ভেজালের ভয়; যে ওষুধ খেয়ে সুস্থ হওয়ার আশা করি, তার মধ্যেও থাকে প্রতারণার শঙ্কা; আর সাদা অ্যাপ্রোন পরা কিছু ভণ্ড, যাদের কাজ হওয়ার কথা ছিল মানুষের জীবন বাঁচানো, তারাই হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। এমন একটা সমাজে, যেখানে খাদ্য আর চিকিৎসার মতো মৌলিক নির্ভরতার জায়গাগুলোতেও প্রতারণা বাসা বাঁধে, সেখানে "উন্নয়ন" শব্দটা কতটা ফাঁপা শোনায়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
আর যে মানুষটা মাঠে সারাদিন রোদে পুড়ে ফসল ফলায়, বা যে উৎপাদক নিজের শ্রম-ঘাম দিয়ে কিছু তৈরি করে, সে-ই আবার এই ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হয়। ন্যায্য দাম তার হাতে পৌঁছায় না, মাঝখানে বসে থাকা মধ্যস্বত্বভোগীদের একটা শক্তিশালী চক্র সেই মুনাফা লুটে নেয়, অথচ বাজারে গিয়ে ভোক্তাকেও গুনতে হয় চড়া দাম। উৎপাদক আর ভোক্তা — দুই প্রান্তের মানুষই ঠকে যায়, লাভবান হয় শুধু মাঝখানের অদৃশ্য একটা শ্রেণি। এটাও সেই একই রোগের আরেকটা লক্ষণ — যেখানে পরিশ্রম আর ন্যায্যতার চেয়ে সুবিধাবাদী অবস্থানই বেশি পুরস্কৃত হয়।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, যাদের কাছে আমরা নৈতিক দিকনির্দেশনা খুঁজি, সেই ধর্মীয় নেতাদের অনেকেও আজ এই একই পচনের অংশ। ধর্ম যেখানে সত্য আর ন্যায়ের কথা বলার কথা, সেখানে দেখা যায় বিভিন্ন ধর্মের নেতারা — ধর্ম নির্বিশেষে — দুর্নীতিবাজ আর ক্ষমতাবানদের প্রশংসায় মুখর, যেন উপাসনালয়ে তাদের অবৈধ উপার্জনের দান ক্রমাগত বাড়তে থাকে। এই ঊর্ধ্বমুখী দ্রব্যমূল্যের বাজারে যখন তারা নিজেরাও একটু স্বচ্ছলতার মুখ দেখতে চান, তখন সত্য বলার সাহসটা কোথায় যেন হারিয়ে যায়। যে প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল নৈতিকতার শেষ দুর্গ, সেটাও যখন আপস করে বসে, তখন সাধারণ মানুষের সামনে আর কোনো আয়না অবশিষ্ট থাকে না নিজেকে দেখার।
আর সবচেয়ে গভীর ক্ষতটা বোধহয় লুকিয়ে আছে আরেক জায়গায়। যাদের কথা ছিল জনগণের সেবক হয়ে থাকার, তারা কখন যে মালিক বনে গেছেন, সেটা আমরা টেরও পাইনি। জনগণের কাঁধে ট্যাক্সের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে, নিজেদের আরাম-আয়েশ বাড়ানোর জন্য নিজেরাই আইন করে নিজেদের বেতন-ভাতা আর সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে নিচ্ছেন — অথচ যে জনগণের টাকায় এই ব্যবস্থা চলে, তারা ধুঁকে ধুঁকে মরছে। নদীভাঙনের কবলে পড়া মানুষের জন্য স্থায়ী বাঁধ তৈরির বদলে গড়ে উঠছে বিলাসবহুল আবাসন প্রকল্প — আর সেটাও তৈরি হচ্ছে সেই জনগণেরই কষ্টার্জিত করের টাকায়, যাদের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে।
এই জায়গাটায় এসে একটা ইতিহাসের দিকে তাকানো জরুরি। ১৯৭১ সালে যখন আমরা স্বাধীন হই, তখন অনেক বিশ্লেষকের মতে পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা মালয়েশিয়া আর সিঙ্গাপুরের চেয়ে পিছিয়ে ছিল না — বরং কোনো কোনো সূচকে আমরা এগিয়েই ছিলাম। অথচ আজ, পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পরে, সেই দুটো দেশ যেখানে বিশ্বের অন্যতম ধনী আর সুশাসিত রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত, আমরা এখনও লড়ছি মৌলিক অবকাঠামো, শিক্ষা আর সুশাসনের জন্য। পার্থক্যটা প্রাকৃতিক সম্পদে নয় — সিঙ্গাপুরের তো নিজস্ব তেমন কোনো প্রাকৃতিক সম্পদই নেই, তবু তারা আজ বিশ্বের অন্যতম উন্নত অর্থনীতি। পার্থক্যটা তৈরি হয়েছে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্ব, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, আর মেধা-ভিত্তিক শাসনব্যবস্থার মধ্যে — যা আমরা কখনো ধারাবাহিকভাবে গড়ে তুলতে পারিনি। আমরা বারবার স্বল্পমেয়াদী রাজনৈতিক স্বার্থকে দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় স্বার্থের ওপরে বসিয়েছি, আর তারই মাশুল দিচ্ছি আজ।
এই পুরো চক্রটা একসাথে দেখলে বোঝা যায়, সমস্যাটা কোনো একটা মানুষের নয়, কোনো একটা দপ্তরের নয় — এটা একটা সিস্টেমের ব্যর্থতা, যে সিস্টেম প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নিজের ভেতরের পচনটাকেই স্বাভাবিক নিয়ম বানিয়ে ফেলেছে, আর সেই পচন হাতে করে তুলে দিয়েছে পরের প্রজন্মের হাতে, উত্তরাধিকার হিসেবে। আর আমরা, সাধারণ মানুষ, সেই পচনের অংশীদার হয়েও দায় স্বীকার না করে বলে যাচ্ছি — "এই দেশের কিছু হবে না", "এখান থেকে পালাতে পারলে বাঁচি"। অথচ যে গতিতে আমরা নিজেদের চরিত্র, আমাদের প্রতিষ্ঠান, আমাদের সামগ্রিক ব্যবস্থাকে ক্ষয়ে যেতে দিচ্ছি, তাতে একদিন হয়তো এমন অবস্থা আসবে যখন পৃথিবীর কোনো রাষ্ট্রই আমাদের ভিসা দিতে রাজি হবে না। তখন যতই বলি না কেন "দেশ ছেড়ে চলে যাব", যাওয়ার পথটাই আর খোলা থাকবে না।
:|| /:) তাহলে এখন প্রশ্ন হলো — আমরা কী করতে পারি? বড় বড় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার হয়তো আমাদের একার হাতে নেই, কিন্তু পরিবর্তনের শুরুটা সবসময় হয় ছোট, ব্যক্তিগত জায়গা থেকেই। নিজের সন্তানকে যদি আজ সততা আর সহমর্মিতার শিক্ষা দিই — শুধু মুখে নয়, নিজের আচরণ দিয়ে — তাহলে অন্তত একটা প্রজন্মের হাতে আমরা ভিন্ন কিছু তুলে দিতে পারি। নিজে যদি ঘুষ না দিই, নিয়ম না ভাঙি, রাস্তায় ময়লা না ফেলি, ক্ষমতার সামান্যতম সুযোগও অপব্যবহার না করি — তাহলে অন্তত নিজের বৃত্তের মধ্যে একটা দৃষ্টান্ত তৈরি হয়। এর পাশাপাশি যেটা জরুরি, তা হলো সোচ্চার থাকা — যেখানেই অন্যায় দেখি, নীরব থেকে মেনে না নিয়ে প্রশ্ন তোলা, ভোটের অধিকার আর নাগরিক অধিকার সচেতনভাবে ব্যবহার করা, আর যে প্রতিষ্ঠানগুলো জবাবদিহিতার বাইরে চলে গেছে, সেগুলোর কাছে প্রশ্ন তোলার সংস্কৃতি তৈরি করা। একার পক্ষে পুরো ব্যবস্থা বদলানো সম্ভব নয় ঠিকই, কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষ যদি নিজের জায়গা থেকে এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো শুরু করে, তাহলে সেটাই একদিন বড় পরিবর্তনের ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।
তাই সময় এসেছে এই সত্যটা মেনে নেওয়ার — নিজেকে বদলানো ছাড়া, আর এই গোটা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ছাড়া, শুধু "দেশপ্রেম" শব্দটা মুখে আউড়ে কোনো লাভ নেই। যতদিন না আমরা নিজেদের রাস্তায় ময়লা ফেলা হাত, ফুটপাতে বাইক তোলা চাকা, আর ক্ষমতার অপব্যবহার করা মানসিকতাকে প্রশ্ন করতে শিখছি, আর যতদিন না উত্তরসূরিদের হাতে সততা আর সহমর্মিতার শিক্ষা তুলে দিতে শিখছি — ততদিন এই দুষ্টচক্র চলতেই থাকবে, আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাব শুধু আরও গভীর এক দুর্ভোগের উত্তরাধিকার। সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়া প্রমাণ করে দিয়েছে, সম্পদ নয় — সংকল্পই একটা জাতিকে বদলে দেয়। সেই সংকল্পটা আজ, এখনই, নিজের ঘর থেকে শুরু করার সময়। না হলে এই নিজেকে ফেরেস্তা ভেবে বাকি সকলকে দোষারোপের মাসুল যে কি হবে তা আমদের সকলের ধারনারও বাইরে... । :( :-< /:)

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫২
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজ প্রিয়তমা স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আজ প্রিয়তমা স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন

আজ ২০ সেপ্টেম্বর, Wife Appreciation Day—প্রিয়তমা স্ত্রীকে ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও সম্মান জানানোর একটি সুন্দর উপলক্ষ।

সংসারের নানা দায়িত্ব, ভালো-মন্দ সময় এবং জীবনের কঠিন মুহূর্তে একজন স্ত্রী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ অপ্রত্যাশিত উপহার

লিখেছেন সামিয়া, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪০




সৌদি আরবের রিয়াদের একটা পাঁচ তারকা হোটেলে আমার চাকরি। চাকরিটা খুব কঠিন কিছু না। প্রতিদিন একটা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার হাতে নিয়ে হোটেলের কার্পেট পরিষ্কার করি। লবি, করিডোর, হলরুম, অতিথিদের বসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার নিমো'র আসল নাম নিমচাঁদ না?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



সামুর আগের মডূ জাদীদ ভাই আমাকে একবার বলেছিলেন ব্লগার নিমো'র আসল নাম নিমচাঁদ, তাঁর খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা মাঝে মাঝে পদ্মার পাড়ে ইলিশ খেতে যান। আর, গরুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাসালসুল (অনন্ত পশ্চাদগমন), প্রথম সৃষ্টি ও ‘আকল’: কুরআন-সুন্নাহর আলোকে একটি সতর্ক অনুসন্ধান

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৩৭


ভূমিকা
সৃষ্টিজগতের অস্তিত্ব নিয়ে মানুষের অন্যতম প্রাচীন প্রশ্ন হলো,সবকিছুর শুরু কোথায়? যদি প্রতিটি সৃষ্ট বস্তুর অস্তিত্বের জন্য তার আগে আরেকটি সৃষ্ট বস্তুর প্রয়োজন হয়, এবং সেই নির্ভরতার ধারা কখনো শেষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরিয়ম খাতুন জীবন থেকে ছুটি নিয়েছে

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৮



মরিয়ম খাতুন। মাত্র ১৯ বছরের একটি মেয়ে। ৭৫ বছরের বুইড়া পাঁঠা গাজী নজরুলের লালসার শিকার হয়ে জীবন থেকে ছুটি নিয়েছে। শুধুমাত্র একটি ছোটখাটো চাকুরী সুপারিশের জন্য গিয়েছিল। তখনই ১৯... ...বাকিটুকু পড়ুন

×