ভার্চুয়াল গুন্ডা সমাচার - ইন্টারনেটে রাজাকার প্রতিরোধ কেন জরুরী
২৮ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
"জহির রায়হান কি এখনো বেঁচে আছেন? এর উত্তর হ্যাঁ বা না হবে। একবার আমি তার মেয়েদের টিভি ইন্টারভিউ দেখেছিলাম। এই হতভাগী মেয়েটির সাথে আমি সাক্ষাৎ করতে পারি নি। আমার মেসেজ হল স্বাধীনতার একমাস পরে একটি চলচ্চিত্র তৈরির কারনে তিনি ইন্ডিয়ান ইনটেলিজেন্স দ্বারা অপহৃত হয়েছিলেন। তাকে তার নাম পালটিয়ে এমন একটি জেলে রাখা হয় যেখানে কেউ একবার ঢুকলে আর বেরোতে পারে না।"
"আমাদের স্বাধীনতার মাত্র কয়েকদিন আগে কারা বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করেছিল জহির রায়হান তার ওপরে একটি ডকুমেন্টারী তৈরি করেছিলেন। এটাই এই সাহসী মানুষটির এমন নির্মম নিয়তি।" সূত্র: লিংকউপরের বাক্যগুলো পড়ে আপনি কি বুঝলেন? জহির রায়হানকে কারা হত্যা করেছে? বুদ্ধিজীবীদেরকেই বা কারা হত্যা করেছে? আরো মজার ব্যাপার হল, যিনি উপরের বক্তব্যটি দিচ্ছেন, তিনি জহির রায়হানকে অনেক বড় সাহসী মানুষ হিসেবে দেখাচ্ছেন।
সুশীলরা সামহোয়ারইন ব্লগে রাজাকার োন্দানোর জন্য ভার্চুয়াল গুন্ডা খেতাব দেন। অসুবিধা নাই। রাজাকার দেখলেই গদাম লাথি।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩
যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।
দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।
ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
এস আই জয়, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৫
সময় ২০১৪ সাল...
ভার্সিটিতে আজ ক্লাস শেষে আমি, মেহনাজ, তামিম আর শাওন গোল হয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছি। হঠাৎ কোত্থেকে শেতু এসে হাজির। এসেই ডিরেক্ট ঘোষণা! আজ নাকি সে আমাদের সবাইকে স্টার... ...বাকিটুকু পড়ুন

(শালবন ভ্রমণ)২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে...
...বাকিটুকু পড়ুন