"পূর্জি" হচ্ছে আখ চাষীদের কাছ থেকে আখ ক্রয়ের অনুমতিপত্র। আখ মাড়াই কার্যক্রম শুরু হলে চিনিকল কর্তপক্ষ একটি নির্ধারিত কর্মসূচি অনুসারে আখচাষীদের নিকট পূর্জি প্রেরণ করে। চিনিকল থেকে পূর্জি ইস্যু হওয়ার তিনদিনের মধ্যে আখচাষীকে নির্দিষ্ট পরিমাণ আখ চিনিকলের বিভিন্ন আখ ক্রয় কেন্দ্রে সরবরাহ করতে হয়। সনাতন পদ্ধতিতে কাগজে লেখা পূর্জি পেতে আখ চাষীদের অনেক দেরী হয়। সময়মত পূর্জি না পেলে আখচাষী চিনিকলে আখ সরবরাহ করতে পারেনা। এতে চাষীর যেমন ক্ষতি হয় তেমনি সময়মত চিনিকল আখ না পেলে চিনি উৎপাদনেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। অন্যদিকে, ই-পূর্জির ক্ষেত্রে মিল থেকে পূর্জি ইস্যু হওয়া মাত্র চিনিকলের সফটওয়্যারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তা এসএমএস আকারে চাষীর মোবাইলে দৃশ্যমান হয়। অর্থাৎ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আখচাষীদের কাছে পূর্জি’র তথ্য প্রেরণ করাই হলো ই-পূর্জি। বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন এবং একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগাম গত বছর ফরিদপুর এবং মোবারকগঞ্জ চিনিকলে পাইলট আকারে ই-পূর্জি বাস্তবায়ন করে। পাইলট প্রকল্পের সাফল্যের পর এ বছর বাকী ১৩ টি চিনিকলে ই-পূর্জি ব্যবস্থাপনা সফল করার জন্য চিনিকলে আখচাষীদের উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা, প্রশিক্ষণ প্রদান ও প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে শুধু পূর্জি নয় যে কোনো তথ্য এখন মুহূর্তেই আখচাষীদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ তাঁর কার্যালয় থেকে দেশের ১৫ টি চিনিকলে একযোগে ডিজিটাল পূর্জি ব্যবস্থাপনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন এবং ইউএনডিপি’র অর্থায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম যৌথভাবে এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
আরো জানতে: Click This Link
অথবা Click This Link
এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখার জন্য: Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


