


ফ্রান্সে নিষিদ্ধ হওয়ার পর আরো কয়েকটি দেশে বুরকিনি নিষিদ্ধ হয়েছে বা হবে। বলা হচ্ছে , এটা মুসলিম মেয়েদের জন্য বিশেষ ধরনের বিকিনি যা পুরো শরীর আবৃত রাখে আবার সমুদ্রে সাঁতার/গোসলের মজাও ঠিক রাখে। মুসলিম নারীরা যেহেতু, ব্রা বিকিনি পরে সমুদ্রে যায় না(অনেকেই যায়) তাই তাদের কথা মাথায় রেখে এ ধরনের বিশেষ কস্টিউম তৈরি করা হয়েছে। বলা বাহুল্য, কিছু আবাল মুসলিম নারীদের কাছে এই বোরকা আর বিকিনির সন্ধি বুরকিনি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
তবে যেসব দেশ এ পোশাক নিষিদ্ধ করেছে তাদের কর্তাব্যক্তিদের বেকুব বলেই মনে হয়। কারণ, বুরকিনি কোন দিক দিয়েই ইসলামিক বেসিক ঠিক রাখছে না। ইসলামে মেয়েদের আঁটো সাঁটো পোশাক পরতে নিষেধ করা হয়েছে। অথচ বুরকিনি পুরোটাই চরমভাবে বডি ফিটেড। ইসলাম প্রকাশ্যে পরপুরুষের সামনে সাঁতার কাটা গোসল করা কখনোই সমর্থন করে না। অথচ বুরকিনির ব্যবহার হবে শুধুমাত্র সমুদ্র সৈকতেই! তাই এ পোশাক নিষিদ্ধ করলে তাতে মুসলিমদের জন্য তেমন চিন্তার কিছু নেই। সবচেয়ে বড় কথা এটাকে ইসলামিক বলাটাই মুসলিমদের জন্য আরেকটা ব্লাফ বলেই মনে হয়।
জিন্স এর সাথে টপস পরে শুধু মাথায় হিজাব করলে যেমন ইসলামিক পোশাক হয় না, ফিটেড বোরকা পরলে যেমন ইসলামিক পোশাক হয় না, এক চ্যানেলে নাচ, গান, সিনেমা চালু রেখে খালি বোরকা পরে সংবাদ পাঠ করলেই যেমন ইসলামিক চ্যানেল হয় না। ঠিক তেমন বুরকিনি পরলেও ইসলামিক বিকিনি হয়ে যাবে না।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ১২:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


