অতি জঘন্য একটা পরীক্ষা দিলাম। প্রশ্ন যে কঠিন ছিল,তা বলা যায় না,মুরালী'র 'দুসরা' নয় যে সমাধান করতে শুরু কর মনে হবে কি চাইল আর কি দিলাম,আবার ব্রেট লি'র ১০০ মাইল গতির কোন বলের মতও না যে দেখেই ভিরমি খাবো,বরং বলা যায় ম্যাকগ্রা'র বোলিং,মাপা লাইন-লেংথ,একই গতি,শুধু খেলতে গেলেই বোঝা যায় কত ধানে কত চাল (নাকি কত বাঁশে কত শূন্য?)। বিশাল বড় বড় একেকটা সমস্যা,শুরু করে শুধু করেই যাচ্ছি আর করেই যাচ্ছি,শেষ আর হয়না,এক ঘণ্টা হয়ে গেল ১টাও শেষ হলোনা,অথচ করা লাগবে ৬টা! কেলেংকারির ষোলকলা পূরণ করার জন্যই কিনা,ঘড়িটাও নিইনি যে সময় দেখব,মোবাইল থাকার কুফল,এরকম পরীক্ষা না এলে হাতে আর ঘড়ি জিনিসটা লাগানোই হয়না। দূর ছাই বলে প্রথমটা শেষ না করেই পরেরটাতে চলে যাই,গতি অবশ্য বাড়েনা,সেটা শেষ না হতেই আবার ঘণ্টার শব্দ,মনে হল হাতুড়ির ঘা টা আমার মাথাতেই মারল। এই সমস্যাটাও অসমাপ্ত,লাফিয়ে চলে যাই পরেরটায়,পরীক্ষা শেষের সংকেতটা যখন এল,আমি তখনো সেটা নিয়েই ধস্তাধস্তি করছি। গার্ড খাতা নিতে এলে বিরস বদনে জমা দিলাম,আশপাশে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করছি এবার কার কি অবস্থা। বেশিরভাগেরই গোমড়া মুখ,এত বড় আকারের প্রশ্ন করে কি বানাতে চায় আমাদের সেটা নিয়ে গবেষণা আর প্রশ্নকর্তার চোদ্দ গুষ্ঠি উদ্ধার চলছে,এর মাঝেও ২-৪ জন যখন বলল তারা ৬টাই দিয়েছে তখন আসলেই আমরা এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হবার যোগ্য কিনা সেই প্রশ্নটাও হতাশ কারো কারো মনে উঠে গেল।দুর্মূখগুলোর কথা আলাদা,ওরা আবার ঐ "সব পারা ছাত্র"দের ছাত্রত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলে বসলো,এদের নাকি হয় চিড়িয়াখানায় বা বেশি নিরাপদ জায়গা হিসেবে মঙ্গলগ্রহে পাঠানোই উচিত,যেমন পাঠানো উচিত যারা এই কোর্সগুলি পড়ায় তাদের। যাই হোক,পাঠাক,যা খুশি করুক,আমার কি? ক্যান যে মরতে এইখানে এসেছিলাম বুঝতে পারিনা আজো,পড়ুয়াদের দঙ্গলে ভেড়ুয়া হয়েই কাটিয়ে গেলাম ৪টা বছর প্রায়। বাসায় এসেও ঝিম মেরে আছি,পড়া মনে হয় উচিতই ছিল কিন্তু এরকম ইনিংস ব্যবধানে হারার পরে মাঠে আর নামতেই বা কার মন চায়? দূরররর,পড়বো না,পড়বোই না,হল এ যাই,রাতে 'ফিস্টি' আছে,এত ব্যস্ততার মাঝেও এক হলবাসী খবর দিয়েছে,ভাল মেন্যু,চিকেন ফ্রাই আর কারি,কোক,স্টারের ফিরনি,আইসক্রিম,আরো নাকি থাকবে। খাওয়ার পরে আড্ডা-গান-মুভি,হোক পরীক্ষায় বাঁশ,আনন্দ আর জীবন কোনটাই থামবে না। নাহ,ভার্সিটির জীবনটা আসলে এতো খারাপ না!
পরীক্ষা,বাঁশ আর আনন্দ
দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?
মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন
সম্ভাবনার বন্দি

বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।
বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন
খোঁজা সম্প্রদায়
হিন্দু লোহানা জাতি থেকে ধর্মান্তরিত হয়েছিল খোঁজা সম্প্রদায়।মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এই খোঁজা সম্প্রদায়ের মুসলিম ছিলেন এবং শিয়া গোষ্ঠীর আশারি সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন। খোঁজাদের বিশ্বাস এবং ধ্রমীয় আচার-আচরণ সহজে কোন পরিচিত... ...বাকিটুকু পড়ুন
ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।
- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।