
সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদের স্পষ্ট বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সাল থেকে আমাদের প্রবনতা দেখা দিল রাষ্ট্র কর্তৃক সকল ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যদাদানের তাই বেতারে , টেলিভিশনে , রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে- সর্বত্র শরীফ ,গীতা , বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠ হতে থাকল একসঙ্গে
ধর্মনিরপেক্ষতারপরিচয় এ নয় , এ হতে পারে সকল ধর্মের সমানমর্যদালাভ আমরা তার সঙ্গে ঘোষণা করলাম ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয় তার প্রমান দিতে বঙ্গভবনে বা গণভবনে মিলাদ পড়ানোও হল
১৯৭৫ সালের পরে তাদের সুযোগ এলো মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বরে দ্বিতীয় ঘোষাণা পত্র আদেশ বলে সংবিধানের প্রস্তাবনার পূর্বে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম যুক্ত হল , ধর্মনিরপেক্ষতারজায়গায় এলো " সর্বশক্তিমান আল্লাহের উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস " এবং সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদের উচ্ছেদ হয়ে গেল
জিয়াউর রহমান যেমন আওয়ামী লীগের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা বর্জন করলেন তেমনি ১৯৮৮ সালে জেনারেল এরশাদ অষ্টম সংশোধনীর মধ্যমে ইসলামকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করলেন সংশোধনীতে বলা হল :" প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম , তবে অন্যান্য ধর্মও প্রজাতন্ত্রে শান্তিতে পালন করা যাবে " ইসলামের সঙ্গে অন্য ধর্মের কী বিপুল পার্থক্য করা হল , সংশোধনীর ভাষা থেকেও স্পষ্ট হয়ে ওঠে
।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





