
নতুন চেহারা নিচ্ছে ক্যালাইডোস্কোপ
সন্ধ্যা নামছে। গোঠে ফিরছে সবাই।
আসলে সবটাই একটা ক্যালাইডোস্কোপ। এক এক সময়, এক এক রূপ, এক এক বর্ণ, এক এক চিত্র। ২০১১-র ভোট, তার আগের ছবিটা বহুবর্ণ। ২৪টা দল, বামফ্রন্ট বিরোধী মঞ্চ...জঙ্গলমহল থেকে পাহাড়— সর্বত্র বন্ধু। বন্ধু বুদ্ধিজীবীদের নতুন নতুন স্তরেও। ক্যালাইডোস্কোপের নিজস্ব ঢঙ যেমন হয়!
নির্বাচন হল। নিজের চরিত্র অনুযায়ী পাল্টাল বর্ণচিত্র। জঙ্গলমহলে ‘এনকাউন্টার’, পাহাড়ে ঈষত্ ভ্রূকুঞ্চন। দ্রুত পাল্টে যাচ্ছিল চালচিত্রটা। দলের ভেতরে বাইরে নতুন সমীকরণে সেজে উঠছিল গোটা সময়টা। এলেন সুদীপ্ত সেন। এল আরও নতুন নতুন অভিযোগ। ছিটকে গেলেন মুকুল রায়। সাসপেন্ড করা হল আরাবুল ইসলামকে। মদন মিত্র জেলে সরলেন। শঙ্কুদেব পণ্ডাকে ছুড়ে ফেলা হল। অন্য দিকে, দলের নানান দুর্নীতি সামনে আসতে শুরু করল। এ সবই হল মধ্যবর্তী পর্যায়ে।
আবার নির্বাচন আসছে। আবার একজোট হওয়ার সময় আসছে। যূথবদ্ধতার সময় আসছে আবার। বিশেষত কংগ্রেস-সিপিএমের হাত মেলার সম্ভাবনা নিজেদের হাতগুলোকে আরও একবার ধরে নেওয়ার প্রয়োজনটা তীব্র করে তুলছে। অতএব মুকুল রায় ফিরে আসছেন। মদন মিত্রের প্রার্থিত্ব ঘোষণা করা হচ্ছে প্রকাশ্যে। আরাবুল ইসলামকে নির্বাসন থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে। ক্যালাইডোস্কোপ আবার নতুন চেহারা নিচ্ছে।
আসলে ছবিটা বরাবর এই রকমই ছিল। দিনের বেলায় নানান প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে গিয়েছিল সবাই। সন্ধ্যা নামছে। এ বার গোঠে ফেরার পালা।

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




