
ইন্ডিয়াতে কয়েকটি প্রদেশে বিধান সভা নির্বাচনের রেজাল্ট ঘোষিত হলো।কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায়।বিধান সভায় এক এক প্রদেশে এক একটি দল বা জোট জয়লাভ করেছে।আমি পশ্চিম বাংলার নির্বাচন সম্পর্কে যেটুকু জেনেছি তাতে দেখতে পেয়েছি নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক,প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়েছে।হিংসা-হানাহানিও হয়েছে অনেক।মূল আলোচনার বিষয় নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা ও আইনিপথে চলা নিয়ে।প্রধানমন্ত্রী জনসভা করেছে,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোড শো-জনসভা করতে কলকাতা পড়ে রয়েছেন।বিজেপির অভিযোগ ছিলো টিএমসি সন্ত্রাস করে,বুথ দখল করে,ছাপ্পা ভোট মেরে প্রশাসন যন্ত্র ব্যবহার করে নির্বাচনে জিতবে।টিএমসি এর অভিযোগ কেন্দ্রিয় বাহিনী দিয়ে ধরপাকড় করে,অডিও ফাঁস করে জনগনকে বিভ্রান্ত করে ছাপ্পা ভোট মেরে নির্বাচনে জিতবে।নির্বাচন কমিশন ক্ষমতাসিন মূখ্যমন্ত্রীকে ২৪ ঘন্টার জন্য নির্বাচনী প্রচার ব্যান করেছিলো।এরকম বিজেপির স্থানীয় সভাপতিকেও নির্বাচনী প্রচারে ব্যান করেছিলো,এরকম অন্যদেরও করেছে।সহিংসতার জন্য কোন এক জেলায় নির্বাচনী প্রচার করতে যেতে দেয়নি কমিশন।শোকজ করেছে অনেককে।এমন নানা কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে কমিশনকে। সেখানে ৭০%-৮০% ভোট পরেছে।তৃণমূল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে তবে মমতা ব্যনার্জি নিজে জিততে পারেননি।প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন জানিয়েছেন,স্থানীয় বিজেপি সভাপতিও অভিনন্দন জানিয়েছেন।মমতা ব্যনার্জি নন্দীগ্রামের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে পুনরায় ভোট গননার আর্জি জানিয়েছেন।তবে নির্বাচন কমিশন ছাপ জানিয়ে দিয়েছে পুনঃ ভোট গননা হবেনা।তিনি(মমতা) আদালতের দারস্থ হবেন।
আমাদের দেশে আমরা এরকম প্রতিদ্বন্দিতামূলক নির্বাচন আশাকরি।নির্বাচন কমিশন যেভাবে স্বাধীন কাজ করতে পারে এবং স্বচ্ছ,অংশগ্রহণমূলক,আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে সে ব্যবস্থা করা দরকার।ধাপে ধাপে নির্বাচন করে,এক একটা এলাকায় অন্য স্থানের পুলিস ও অন্য বাহিনী দিয়ে বা আরো কিছু কৌশল ব্যবহার করে নির্বাচন করা যেতে পারে।
বিদ্রঃব্যবহৃত ছবি নেট থেকে নেয়া।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

