আজকে নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে হল। আমর স্কুল জীবন শুরু হয় ১৯৯৫ সালের দিকে। ঢাকা শহরের একটি বড় এবং সুনাম ধন্য স্কুলে। ক্লাস ৮ পাস করার পর আমাদেরকে বলা হয় বিভাগ নির্বাচন করার জন্য। আমাদের মধ্যে যারা ভাল ছাত্র ছিল যথারীতি বিজ্ঞান বিভাগ, অন্যরা ব্যবসাএবং মানবিক বিভাগ এর জন্য নির্বাচিত হয়।
তবে আমি বলব আজকে বিজ্ঞান ভিবাগ নিয়ে , সেখানে আমাদের পদার্থ বিজ্ঞানের বিভিন্ন জটিল থিওরি বেতের বারির সাথে শিখানো হত। আমরা বিভিন্ন সার্কিট নিয়ে পড়তাম। আমার যতদূর মনে পড়ে। ১২ শ্রেণী পাস করার আগ পর্যন্ত আমার কপালে রেজিস্টার, ডায়ড এগুলো স্কুল কলেজের ল্যাব এ বাস্তব দেখার সুযোগ হয়নি। অথচ আমরা পদার্থ বিজ্ঞানের বই ৯০ ভাগ পর্যন্ত মুখস্ত করে ফেলি। ব্যাবহারিক শিক্ষার অভাবে, আমরা বাংলাদেশি ছাত্ররা বিজ্ঞানের মজা কিছুই নিতে পারিনা। বরং বিজ্ঞান বিভাগ আমাদের জন্য একটা যন্ত্রণা দায়ক শিক্ষা হয়ে উঠে যখন দেখি মানবিক ও ব্যবসা প্রশাসনের শিক্ষার্থীরা বুক ফুলিয়ে অবসর সময় পার করছে খেলাধুলা করে।
এই দজবঙ্গ বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য আমাদের শিক্ষার্থীরা পরবর্তী উচ্চশিক্ষা নিতে গিয়ে পরছে চরম বিপদে বিশেষ করে যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেস গমন করে। জ্ঞানবিজ্ঞানের গবেষনার কথা নাইবা বললাম। যদিও বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো বড় বড় ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি দিচ্ছে কিন্তু, তারা আসলে কতটুকু শিখতে পারছে আমর সন্দেহ আছে (আমি সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলছিনা )। আমি যখন দেখি উন্নত বিশ্বের ছাত্ররা বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় মজাকরে পড়ছে, অনেকটা খেলার মত! তখন আমার অনুশোচনা হয়। কেন আমদের দেশের অবলা ছাত্রছাত্রীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে ব্ল্যাকবোর্ড নির্ভর শিক্ষা?
নোট – বাংলা বানান ভুলের জন্য ক্ষমা করবেন কারন অনেক চেষ্টা করেও কিছু বানান অভ্র দিয়ে ঠিক করতে পারলাম না!!!!
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ভোর ৪:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





