
আধুনিক দৃষ্টিকোনে সানজুর দ্য আর্ট অব ওয়ার
এই মাত্র পেট্রলিং থেকে ফিরলাম। লক্ষ্য করেছেন কিনা জানিনা, আজ পুর্নিমা ছিল। থালার মত বিশাল একটা চাঁদ মাথায় নিয়ে পাহাড়ি মেঠো পথ ধরে এগিয়ে চলা। অপার্থিব জ্যোৎস্নায় প্লাবিত উপত্যকায় অনেক দূর দূর একেকটা পাহাড়ী বাড়ী। ঘুম থেকে অনেক ডাকাডাকি করে তুলতে হয় বাড়ীর কর্তা কে। সাথে গুটিসুটি মেরে বের হয়ে আসে ছোট্ট ছেলেটা অথবা মেয়েটা। কাচুমাচু হয়ে সপ্রশ্ন দৃস্টিতে তাকায়। তারপর আমরা যখন বাবা আর সন্তানটার গায়ে কম্বলটা জড়িয়ে দেই, হতবাক করা আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে তাদের সরল মুখ। পিচ্চিটার চোখের তারায় ঝলসে ওঠা খুশিতে ভরা জ্যোৎস্না ম্লান হয়ে যায়। এভাবেই কিছু মানুষকে রাত দুপুরে চমকে দিয়ে ফিরে এসে নিজের ফেইসবুক ওয়ালে উকি দিয়ে দেখি বাতিঘর প্রকাশনীর নাজিমউদ্দিন ভাই বইএর প্রচ্ছদ সহ বই প্রকাশের ঘোষনা দিয়ে রেখেছেন। এই পোস্ট দেখে এবার আমার চমকে ওঠার পালা! ঐ পিচ্চিদের মতই আমার চোখের তারায়ও এখন জ্যোৎস্না ম্লান করা আনন্দ দ্যুতি।
বইটা লেখার সাহসটুকু কিন্তু এই ব্লগের সহ ব্লগারদের কাছ থেকেই পাওয়া। হপ্তা জুড়ে একেকটা চ্যাপ্টার আর রেফারেন্স পড়া, তারপর বৃহস্পতিবার রাতজেগে লিখে ব্লগে পোস্ট। এভাবেই টানা তের হপ্তার ফিয়াট। যারা যারা মন্তব্য করেছেন তাদের সব্বাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই বই লেখায় যদি আদৌ কোন কৃতিত্ব থেকে থাকে তার সবটাই এই ব্লগারদের। অনুপ্রেরনা পেলে আমরা কত কীই না পারি।
আমার জন্য দোয়া করবেন, প্লীজ। ধন্যবাদান্তে আপনাদেরই একজন।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




