আমরা বাংলাদেশী-২
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
বাংলাদেশি হিসাবে নিজ কে নিয়ে খুব অহংকার ছিল আমার। কিন্তু এখন আমার সেই অহংকার নেই. মনে হয় হারিয়ে গেল. আর খুজে পাব কিনা জানিনা. একটা ঘটনা গঠল, এইত অল্প কিছু দিন আগে। বাংলার সোনার ছেলে ড. ইঊনুস বিশ্ব শান্তির জন্য নোবেল পুরষ্কার পেলেন। খুসি তে আমি আত্মহারা। যা সারা বিশ্বের মিডিয়া গুলো প্রচার করল। তার ব্যতিক্রম আমাদের এ খানেও হয় নি । মধ্য প্রাচ্যের সবচেয় জনপ্রিয় আল-জাজিরা তে প্রচার হল. আমি সবাই কে ডেকে বলাম দেখ এটা আমাদের বাংলাদেশ। আমরা নোবেল পরুষ্কার পেলাম. ।সেই দিন আমার দোকানে অনেক দেশের লোক ছিল এরা মুলত মধ্য-পাচ্যের. সবাই তা দেখল. অভাক হায়ে আমার দিখে তাকাল। অনেকে ধন্যবাদ দিল আমাকে।
দেবার এই কথা এই মধ্য-প্রাচ্যে আমার মোত হাজার হাজার বাঙ্গালী কাজ করে.
এবং আমারা ই এক মাত্র জাতি যারা অত্যান্ত কম মূল্যে শ্রম বিক্রি করি।মাসিক ৭৫ রিয়েল বেতনে চাকুরি করতেছে হাজার বাঙ্গালী, যারা এই ৭৫ রিয়েল কাজ করে তারা যে মানবতার জীবন যাপন করে তা চোখে না দেখ লে বিশ্বাস হবে না,কিন্তু কিছুই করার নেই। জীবনের তাগিদে আমাদের বাধ্য হয়ে আরো অনেক কাজ করতে হয়। যাহা এদের চোখে অতি বেমানান। তাই পৃথিবির অতি নিম্ন জাতি হিসাবে এরা আমাদের জানে।আমাদের অভিযোগ শুনার মত কেউ নেই। কি দেশে কি বিদেশে।সবাই ত আমার বাঙ্গালী। পৃথিবির যত মজার মজার কৌতূক আছে তা আমাদের নিয়ে রচনা হয়। এতে আমারা পূলকিত হয় বটে।কারন আমাদের স্বভাব ই এটা। কিন্তু সেই ইতিহাস ভেঙ্গে আজ আমারা নোবেল বিজয়-ই জাতি। তাই সেই দিন তারা আমার দিখে কেন এভাবে তাকিয়ে ছিল। আমার বুঝতে একটু অসুবিধা হয় নি। (চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০
আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।
শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।
আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
ইসিয়াক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১

শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।
ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ।
স্নিগ্ধ বাতাস দোলা...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬

এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই...
...বাকিটুকু পড়ুন