somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চলুন সুন্দরবন

০৭ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

“সুন্দর বন গেছিলাম, যা মজা হইছে বন্ধু.............. তোরা তো গেলি না এত্তো করে কইলাম” - আমার বন্ধুর কথা। আমি জানি এই কথার যে আবেগ তা তার মনের গভির থেকেই বের হয়েছে। কারণ আমি জানি প্রকৃতি মানুষকে কতটুকু আবেগপ্রবন আর কতটুকু বিষুদ্ধ করে তোলে।
সুন্দরবন, প্রকৃতির এক অপার সৌন্দর্য। সময়ে সময়ে তা যেন বদলায়। এক এক সময় তার রূপ এক এক রকম। সূর্যোদয়ের সময় শত শত পাখির ডাক, ওড়াউড়ি, দু-একটি নৌকার আবার আঁধারের বুক চিড়ে বেরিয়ে আসা পাগোল করে দেবে আপনাকে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের তাপও এখানে বাড়ে। আর তাই এখানটায় শীত কালটাই ভ্রমনের উপোযোগি বলে আনেকেই মনে করেন। তবে সুন্দরবনকে দেখাই যাদের একমাত্র লক্ষ তাদের কাছে আবশ্য গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত, রোদ, কাঁদা এগুলো কোন ব্যপার না।
পশু পাখির দেখা পেতে হলে আপনাকে প্রবেশ করতে হবে বনের গভিরে।ঐ দেখুনে একটি কুমির রোদ পোহাচ্ছে (আপনার ভাগ্য ভাল তো! তবেই দেখতে পাবেন)। বিকাল বেলা পাখিদেখার জন্য সব চাইতে উপযোগি মনে হয়েছে আমার। মাছরাঙ্গা, চিল, ঘুঘু, টিয়া, সারস আর বক। অন্তত কিছুতো বাচ্চাদের জন্য নিয়ে যাওয় চাই! তাই শেষ বিকেলে তাদের একটু বেশিই ওড়াউড়ি। ভোঁদোর, কাঠবিড়ালি, হরিন এদের সাথেও আপনার দেখা হবে।
বিকালের হাটে যাচ্ছেতো কারো সাথে দেখা না হলে ভাববেন সে আগেই হাটে চলে গেছে।

দলেবলেই সুন্দরবন ভ্রমন করা ভাল। এতে কারে কিছু সবিধা পাওয় যায়। লঞ্চ ভাড়া ইত্যাদিতে। লঞ্চে বিদ্যুৎ খাওয় এসবের ব্যবস্থাও আগে বলে নিলে থাকবে। যে যেভাবে যেতে চান পারবেন । একা একা, দুজন, অনেক জন চলবে। তবে একা বা দুজন গেলে আপনাকে অন্যদলের সাথে যোগদিতে হবে।
সুবিধা হলো লোক যত বেশি খরচ তত কম।
কিছু জিনিস সাথে নেওয়া ভাল যেমন- দূরবিন, হাঁটার জন্য ভাল জুতা, কাটাছেঁরার মলম, ব্যন্ডেজ, ছাতা, সানগ্লাস ও পারলে একটি ক্যামেরা।
বিভিন্ন ট্যুর অপারেটরদের সাথে কথা বলে সুন্দরবন যাওয়াই ভাল। তবে বন বিভাগে অনুমতি পত্রটি আগেই দেখে নিন।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথঃ দ্য আয়নাঘর ফাইলস"..

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৯

"আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথঃ দ্য আয়নাঘর ফাইলস"
-একজন গুমের শিকার মানুষের চোখে একটি ভয়াবহ সত্যের দলিল।

“আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ: দ্য আয়নাঘর ফাইলস”- নামটি যতটা আকর্ষণীয়, বইটির ভেতরের সত্য তার চেয়েও বেশি নির্মম, বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা ফোন কলের দূরত্বে ১০ হাজার মানুষের চাকরি!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



একটা ফোন কলের দূরত্বে ১০ হাজার মানুষের চাকরি!
বিষয়টি আপনি সমাধান করছেন না কেন, পিএম সাহেব? আপনার তো মাত্র একটা ফোন কলই যথেষ্ট—অন্তত ভুক্তভোগীদের এতদিনের অপেক্ষা দেখে সেটাই মনে হয়!
একটা ভুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

কার জন্য; কেন এতো লেখালেখি

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২১

লিখে রাখো বৎস'রা ; এ দূর্মুর্খ আর বর্ন ব্লাইন্ড ও বেইমানদের বাংলাদেশ-এ ভালো কিছুই তৈরী হবে না ! লিখে রাখো বৎস'রা !!
যে যে ব্যক্তির মনে বিষাক্ত রাজনীতির বীজ ঢুকেছে;... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষের অহংকার ও বুদ্ধিমত্তার ভ্রান্ত ধারণা

লিখেছেন শেরজা তপন, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫২


উৎসর্গঃ ব্লগার রাজীব নুর( ঈশ্বর বিশ্বাসের কোল ঘেঁষে যাওয়া কোন লেখা এলেই যিনি লেখককে ভীষন সন্দেহের চোখে দেখেন- ভাবেন; কি অদ্ভুত কথা- ইনি দেখি ঈশ্বর বিশ্বাসী!!))
ধর্ম ও বিজ্ঞান: সংঘর্ষ না... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঠেলায় নাম বাবাজি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৯


সময়টা সরকারের জন্য মোটেও ভালো যাচ্ছে না। একদিকে গ্যাস আর বিদ্যুতের সংকটে মানুষ প্রতিদিন কষ্টে দিন কাটাচ্ছে, অন্যদিকে সরকারের একের পর এক সিদ্ধান্ত নেটিজেনদের বাধার মুখে পড়ছে। ফলে সরকার নতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×