দেশে থাকাকালীন সময়ে সীমাহীন দুর্নীতি, অন্যায় অবিচারের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে জেলের ঘানি টেনে তার মায়ের আকুতিতে চিকিৎসার নামে প্যারলে মুক্তি নিয়ে বছরের পর বছর ধরে লন্ডনে অবস্থান করছেন। প্যারলের মেয়াদ শেষ হলেও তিনি আর দেশে ফিরে আসেননি। অবৈধভাবে লন্ডনে বসে দেশের বিরুদ্ধে ক্রমাগত ষড়যন্ত্রে করে চলেছেন। লন্ডনে বসে দেশের প্রতিটি কাজের বিরোধীতা করে আসছেন। দেশ বিরোধী প্রায় সব কাজেই তার ইন্ধন রয়েছে। কথায় আছে ‘পাপ বাপরেও ছাড়েনা’। উনার অবস্থায় তাই। নিজের কৃতকর্মের সাজা এড়াতেই তিনি দেশে আসতে ভয় পাচ্ছেন। অথচ বিদেশে বসে বড় বড় বুলি আওড়াচ্ছেন। আপনি যদি এতই গুণধর নেতা হন এবং নির্দোষ হয়ে থাকেন তাহলে বিদেশে পালিয়ে না থেকে দেশে এসে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করুণ। তা তো পারবেন না। আপনার এই সৎ সাহস নেই। কারই আপনার একটা কথারও ভিত্তি নেই। আপনি যা বলেন তা আপনার আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে থাকা কিছু পাতি নেতার দেয়া মিথ্যা তথ্য উপাত্তের উপর ভিত্তি করে বলেন। যার তিল পরিমানও সত্য নয়। সবই মিথ্যার ফুলঝুড়ি। দেশের বর্তমান অবস্থা আর সেকেলে নাই। দেশের মানুষ এখন বুঝতে শিখেছে। তাদের আর যা-তা বুঝানো সম্ভব নয়। বর্তমান সরকারের দক্ষতায় ও দুরদর্শী নেতৃত্বে নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন, আইন শৃংখলার উন্নয়ন, সন্ত্রাসী ও দুর্নীতি শুন্যতে নামিয়ে আনাসহ অসংখ্য উন্নয়নে দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরে দাঁড়িয়ে একটি শক্ত ভীত গড়েছে। ইচ্ছে করলেই এই ভীত আর কোন অপশক্তিই ভাঙ্গতে পারবে না। তাই আগে নিজেকে শুধরান। তা নাহলে আজীবন লন্ডনেই থাকতে হবে, জন্মভুমির দেখা মিলবে না কখনও।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



