somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একবার পাশে দাড়ান।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ভোর ৪:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকের সুস্থ শরীর কাল কোথায়
কি ভাবে থাকবে আমরা কেউই জানি না।
একজনের পক্ষে এটা অনেক বড় বোঝা। কেন
কয়দিন আগেই তো আমরা ফিলিস্থিনের
শিশুদের চিকিৎসার জন্য ফান্ড রাইজ
করছিলাম। এখন পারবনা কেন।
আমরা নিশ্চই আমরা পারি। চাইলেই
পারব।

এখনকার যুগে টাকা (সাহায্য
বলতে চাইনা)
পাঠাতে কাউকে না জানালে পাঠানো কনোও
ব্যাপারনা। বিকাশে আপনার
পাঠানো অর্থ সামান্য মনে হতে পারে,
কিন্তু একবার যদি ভেবে দেখি এই ছোট
হাত গুলো একের পর এক সজ্জ্বিত হলে কত
শক্তিধর হয়। সবার কাছে অনুরোধ, এই
ভাইয়ের দুর্দিনে এগিয়ে আসুন, আর
দুয়া করবেন
যাতে আল্লাহতায়ালা আমাদের সবাই
কে সমস্ত মুসিবত থেকে হেফাযত করেন।


সহজ কথা -- আমার সাহায্য দরকার। খুবই
জরুরি দরকার। আমি আমার
ভাইকে বাঁচাতে চাই। অর্থ
দিয়ে সাহায্য করার সামর্থ্য আমার
নেই। কিন্তু এভাবে আমি আমার
ভাইকে মৃত্যুর
পথে হাঁটতে দেখতে চাইনা।
এই পৃথিবীতে সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী।
সবাইকেই মরতে হবে একদিন। কিন্তু তাই
বলে শুধুমাত্র টাকার
অভাবে চিকিৎসা করাতে ব্যর্থ
হয়ে আমি আমার
ভাইকে মরে যেতে দেখতে চাইনা।
লজ্জায় মুখ ফুটে কিছু বলতে পারিনা।
কারও কাছে সাহায্য চাইতে পারিনা।
ভার্সিটিতে যখন পড়তাম, অন্যরা যখন
সাহায্যের জন্য আমাদের
কাছে আসতো, অনেকবার
নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে তাদের জন্য
টাকা তুলে দিয়েছিলাম। কিন্তু নিজের
যখন প্রয়োজন হলো, অনেক চেষ্টা করেও
মুখ ফুটে কাউকে বলতে পারছিনা।
মধ্যবিত্ত হয়ে জন্মানোর এটাই
সবচাইতে বড় অভিশাপ।
আমার খালাতো ভাই Shahid Mannan
বিগত ৩ বছর ধরে Polycystic kidney disease
এ ভুগছেন। মানুষের ভাগ্য এতো খারাপ
কি করে হয়, শুনবেন?
সেই ছোটবেলায় উনার
আব্বুকে হারিয়েছেন। আমার মেজ
খালা অনেক কষ্টে উনার তিনটি ছোট
ছোট ছেলেকে বড় করেছেন।
তারপরে যখন বড় ছেলে শহীদ ভাই
পরিবারের হাল ধরতে গেলেন, তখন
থেকেই অসুস্থ হওয়া শুরু করলেন। আর ঠিক
যখন উনার দু'টো ফুটফুটে জমজ
বাচ্চা পৃথিবীতে আসার সময় হলো,
তখনই উনার এই রোগটা ধরা পড়েছে।
উনার চিন্তায় পরিবারের সবাই অসুস্থ
হয়ে গিয়েছে।
মনে পড়ে ছোটবেলায় শহীদ ভাইয়ের
কাছ থেকেই দাবা খেলার হাতে-
খড়ি হয়েছিল আমার। উনার থেকে কত
জানা-অজানা তথ্য জানতাম। কত
বইয়ের নাম শুনেছি উনার থেকে।
আগে সবসময় ওদের বাসায় যেতাম। আর
এখন উনাকে আমি ভয়ে ফোন দেইনা।
বাসায় যেয়ে উনার সামনা-
সামনি হতে ভয় করে।
কি বলবো আমি উনাকে? কি বলার
আছে? আমি একটা অপদার্থ ভাইয়ের
মতো এভাবে আমার
ভাইকে দিনকে দিন মৃত্যুর
পথে ঠেলে দিচ্ছি। তার জন্য কিছুই
করতে পারছিনা।
ডায়ালাইসিস করাতে করাতে উনাদের
দোকানটা পর্যন্ত
বিক্রি করে দিয়েছেন। নিজেদের
বাড়ি ছাড়া আর যত সহায়-
সম্পত্তি ছিল, সবই
বিক্রি করে দিয়েছেন। কিন্তু
কিভাবে এই খরচ মেটাবেন?
প্রতি সপ্তাহে এমনও হয় যে দু'তিন বার
উনার ডায়ালাইসিস করানো লাগছে!
আর শুধু ডায়ালাইসিস করাতেই
প্রতি মাসে নিদেনপক্ষে ৩০-৪০ হাজার
(কিছু মাসে আরও বেশি) টাকা খরচ হয়।
ডাক্তারের
রিপোর্টে ধরা পড়েছে উনার
দু'টো কিডনিই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই
যত দ্রুত সম্ভব কিডনি প্রতিস্থাপন
করা দরকার।
আমাকে আপনারা বুদ্ধি দেন,
আমি কি করতে পারি? উনার
চিকিৎসার জন্য ২৫ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।
উনার বা আমাদের পরিবারের পক্ষে এই
বিশাল অঙ্কের টাকা ম্যানেজ
করা কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছেনা।
যদি সবাই মিলে উনাকে বাঁচানোর
জন্য অর্থ সাহায্য দিতে পারি,
তাহলে উনাকে বাঁচানো সম্ভব।
নইলে এভাবে চলতে থাকলে উনাকে বাঁচাতে পারবো না।
আমার ভাইকে বাঁচাতে আমি কি ফান্ড
রেইজ করতে পারবো?? শহীদ ভাইয়ের
কিছু বন্ধু পত্রিকায় বিজ্ঞাপন
দিয়ে একটা উদ্যোগ নিয়েছে। আমিও
উনাদের
সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে সাহায্যের
হাত বাড়ানোর জন্য সবাইকে আহবান
জানাচ্ছি।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ
---------------------------------
হাসিনা বেগম
Account Number: 165.151.0007656
Dutch-Bangla Bank Limited,
হালিশহর শাখা, চট্টগ্রাম।
অথবা, bKash Number: +8801817-727438
Facebook Help Page: Help for shahid mannan

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার মনের ঘোর গেলো না (উৎসর্গঃ প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়ের)

লিখেছেন চারাগাছ, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩১




আমার মনের ঘোর গেলো না


উৎসর্গ

প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের স্মৃতির প্রতি।

তিনি নেই। অনেক বছর হলো।

তবু তাঁর ব্লগে ঢুকলে মনে হয়, কোথাও যেন কিছুই থেমে নেই। লেখাগুলো আছে, শব্দগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

জঙ্গল পরিষ্কার করে সাপ তাড়ানাে...

লিখেছেন অপলক , ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪১

নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে: পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী স্থায়ী হিন্দু অধিবাসীরা চাইলে খুব সহজে তাদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত। যদি এই খবরটা সত্য হয়, তবে বাংলাদেশের জন্য সেটা মারাত্মক ভয়ঙ্কর ঘটনা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি’কে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল বলার কোনো কারণ নাই!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৩



জাতীয় সন্মাননা কি কোনো গোপন বিষয় । একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা’কে গার্ড অফ অনার দিতে এত অনীহা কেনো বর্তমান সরকারের ‼️

আজ বারবার আমার গোআ’র কুপুত্রের একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাড়ে হাজার বিজ্ঞানী এবং একটি স্ক্যামের গল্প

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২৮


জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। সেই সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের অংশ হিসেবে পাকিস্তান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘নলেজ করিডোর’-এর আওতায় আল্লামা ইকবাল বৃত্তি চালু করে। ২০২৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮


হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

জাপানের এক প্রভাবশালী সংসদ সদস্যের একটি পোস্ট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হাসাহাসি চলছে। আমার মনে হয়, হাসির আড়ালে আসল প্রশ্নটা চাপা পড়ে যাচ্ছে।

ঘটনাটা কী
প্রধানমন্ত্রী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×