তখন চবিতে ২য় বর্ষে পড়ি ,বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালিন সময়ে বন্ধুরা মিলে নানা সময়ে নানা ধরনের এডভেঞ্চার করেছি তার মধ্যে একটি হলো আমাদের হাইকিং করে চবি থেকে শীতাকুন্ড যাওয়া ।যাত্রার শুরুতেই বড় ভাইদের কাছে জানতে চাইলাম কিভাবে যাব বা কারও আগের কোনও অভিজ্ঞতা রয়েছে কিনা , বেশির ভাগই বাধা দিল বললো এভাবে যাওয়া ঠিক হবে না কারন বন্য পথে নানা ধরনের ঝুঁকি রয়েছে ..ঝুঁকির কথা শুনেই মনটা খুশিতে নেচে উঠলো ! এটাই তো চাই । দু' এক জন সহজ একটা পথের কথা বললো যে পথে এলাকার লোকজন মাঝে মধ্যে আসা যাওয়া করে, কে শুনে কার কথা..।আমরা ঠিক করলাম সবচে কঠিন দু্র্গম পথেই যাব যেটা হয়তো কারো জানা নেই ,ঠিক তাই করলাম বেরিয়ে পরলাম ১১ জন মিলে । যারা এখনো মনে করছেন এ আর এমন কি ? বেরুলাম হাটলাম চলে গেলাম এইতো , তাদের জন্য বলে রাখি । এই সাফারি পার্কে বিপদের অনেক কিছুই রয়েছে যেমন বুনো হাতি থেকে শুরু করে বুনো শুকর নানা প্রজাতির সাপ আরো অনেক কিছুই । তছাড়া এটা মোটামুটি বিস্তৃত বানাঞ্চল যে কারো জন্যই আই সুড নট বি এলাইভের তারকা হয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে ! তো সকাল সাতটা বাজে বের হয়ে পরলাম দুর্গম গিরি দেখার উদ্দেশ্যে ।ইউনিভার্সিটির সেন্ট্রাল ফিল্ড এর পেছন দিয়ে ঢুকে পরলাম বনে , পাহাড়ের মাঝ দিয়ে সরু পায়ে হাটা পথ । খানিকটা এগুতেই পথ শেষ , সামনে পাহাড়ি ঝর্নার ছড়া (ছোট খালের মতো তবে পানি কম) । সবাই জুতো খুলে নেমে পরলাম ছড়ার মধ্যে, হাঁটছি তো হাঁটছি একরকম পানিপথ আরকি ! শেষ হবার নাম নেই , দু ধারে বিশাল বিশাল পাহাড় ,তাও আবার ঘন ঝোপ ঝাড়ে ভর্তি । বার কয়েক চেষ্টা করেও ঝোপের জন্য উঠা গেল না । প্রায় দু ঘন্টা হাঁটার পর খনিকটা ফাঁকা দেখে এবার উঠে গেলাম পাহাড়ে । পাহাড়ি চড়াই উতরাই দিয়ে হাটলাম প্রায় তিন ঘন্টা । চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে মনে হলো এই জন্ম আমার সার্থক । কি অভাবনিয় সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে গহিন এ অরণ্যে যা কেউ হয়তো জানারও চেষ্টা করছে না ।বার বার মনে হচ্ছিলো তাবু টানিয়ে বা কোন এক পাহাড়ের কোটরে থেকে যাই বাকিটা জীবন । হাঁটছি তো হাঁটছি ..হারিয়ে যাচ্ছি গহিন থেকে গহিনে । চবির ছাত্ররা এ বনের হরিন তাদের কেম্পাস থেকেই দেখতে পায় ,কাজেই বন্য জন্তু দেখার আলাদা কোন শখ ছিল না। কিন্তু গহিন বনে গিয়ে কিছু আদিবাসির সাথে দেখা হলো যারা বুনো শুকর শিকারের জন্য ফাঁদ পাততে এসেছিলো , তারা বুনো হাতির পাল থেকে আমাদেরকে সাবধান করে বললেন কিছুক্ষন আগেই নাকি এখানে বুনো হাতি দেখা গিয়েছে । এবার বুঝুন অবস্হা একে তো কোন পথই চিনি না কোথায় যাচ্ছি জানি না তার উপর বুনো শুকর আর বুনো হাতির ভয় ! সব ভয় ডর ঝেরে ফেলে সামনে এগুলাম , সঙ্গে আনা খাবার খেলাম । তারপর সূর্য কে খেয়াল করে পশ্চিম অনুমান করে হাঁটতে থাকলাম । হাঁটতে হাঁটতে ঠিক সন্ধ্যের আগে ঢাকা চিটাগাং রেললাইন (কুমিরা) এলাকায় গিয়ে উঠলাম , সেইসাথে পরিসমাপ্তি ঘটলো আমার জীবনের একটি দুর্লভ দিনের ।
শীতাকুন্ডের পথে...
একটি মুমূর্ষু কবিতা
আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন
সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......
আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন
অল্প একটু পাশে থেকো
আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।
শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।
আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতাঃ এসেছে শরৎ

শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।
ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ।
স্নিগ্ধ বাতাস দোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাইনকা চিপা

এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।