বেজেই চলেছে ফোনের বিরক্তিকর রিংটোন।কয়েকবার বাজার পর বেশ খানিকটা বিরক্তি নিয়ে ফোনটা রিসিভ করে মেঘ।ওপাশ থেকে বন্ধু জয়িতা বলে-
:হ্যালো
-হুম,শুনছি।বল।
:কি করিস?
-কিছুনা।
:মন খারাপ?
-না তো।ক্যান?
জয়িতার বুঝতে বাকি থাকেনা যে পাগলাটার মন আসলেইই খারাপ।কি করবে এই পাগলটাকে নিয়ে,ভেবে পায়না জয়িতা।বলে-
:গল্প শুনবি?
-না শুনবনা।
:আরে শোন না গাধা।
-আচ্ছা বল।
বলতে শুরু করে জয়ি-
:এক দেশে ছিল একটা টোনা আর একটা টুনি।একদিন হল কি জানিস?
-না জানিনা।বলে যা তুই।(কথার মাঝে ফোড়ন কাটে মেঘ)
:একদিন টোনার খুব পিঠা খেতে ইচ্ছে করল।তো,টুনিকে টোনা বলল যে সে পিঠা খাবে।টুনি বলল তুমি……………
অনেকবার শোনা গল্পটার এ পর্যায়ে মেঘ হেসে ফেলে।জয়িতাকে বলে-
-আমার মন ভালো হয়ে গেছে রে।গল্প বলা লাগবেনা তোর।
হেসে ফেলে জয়িতাও।সে রাতটা দুই বন্ধুর গল্পেই কেটে যায়।
আর এক রাতের কথা।
মেঘ কি মনে করে যেন বেশ রাতে ফোন দেয় জয়িতাকে।জয়ি রিসিভ করে ফোন দেয়া মাত্রই।মেঘ বলে-
-হ্যালো।
:হুম।
-কি হুম?
:কিছুনা।
-এত রাতে জেগে!
:এমনিতেই।ঘুম আসছিলনা।
-মন খারাপ?
:হুম।
-গল্প শুনবি?
:হুম।বল।
শুরু করে মেঘ-
-এক দেশে ছিল এক রানী।সে শুধু খাইত পানি।সেই দেশেই ছিল এক রাজা।সে শুধু খাইত পাদ ভাজা।
উদ্ভট গল্পের শুরুটা শুনেই বোধ হয় একটু রেগে যায় জয়িতা।বলে-
:কি সব হাবিজাবি ফালতু কথা বলিস?ভালো কিছু আসেনা তোর মুখে?
মাঘ পারেনি সে রাতে জয়িতার মন ভাল করে দিতে।
শুধু সে রাতে কেন;কোন রাতে কিংবা দিনে,কখনই পারেনি।
মেঘরা আসলে পারেনা কিছুই।Good for nothing টাইপের ছেলে এরা।ওদের দিয়ে হয়না কিছুই।
আর তাই হয়তো আর সকলের মত মেঘদের পরম বন্ধুটিও just impossible মেঘদের ছেড়ে চলে যায়।
[এই ব্লগে আমার প্রথম লেখা।তাই নিজের জীবন থেকে নেয়া একটা গল্প দিয়েই শুরু করলাম।]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

