অল্প ক’দিন হল ব্লগে লেখা শুরু করেছি।শুরু করেছি বলাটা বোধহয় ঠিক হবেনা;কারণ এটি আমার দ্বিতীয় লেখা।
এত তাড়াতাড়ি এমন একটা স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে লেখাটা উচিৎ হচ্ছে কি না কে জানে!
তবুও লিখতে বসেছি।
জাতির পিতা আসলে কে,অতি সহজ ও সাধারণ একটা প্রশ্নের উত্তর পেতে কত অসাধারণ আর অস্বাভাবিক কার্যকলাপই না করতে দেখা যায় আমাদের।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নাকি হযরত ইব্রাহীম(আঃ);অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের বিতর্ক শুরু হয় মূলত এটা নিয়েই।অনেকের মতে জাতির পিতা তো একজনই;আর তিনি হলেন হযরত ইব্রাহীম(আঃ)।
আমার মনে হয় প্রত্যেকেরই জানা এবং বোঝা উচিৎ ; এক এক জাতির পিতা এক এক জন।
মুসলমান ধর্ম মতে পুরো মানব জাতির পিতা হযরত আদম (আঃ)।আবার মুসলমান ধর্ম মতেই কিন্তু মুসলমানদের জাতির পিতা হযরত ইব্রাহীম(আঃ)।হিন্দু ধর্ম মতে জাতির পিতা মনু(সম্ভবত)।অন্যান্য প্রতিটি ধর্ম মতে জাতির পিতা বিভিন্ন জন।কারও ধর্মের জাতির পিতার নামই অন্য ধর্মের জাতির পিতার নামের সাথে মেলেনা।
অন্য ধর্মের কথা বাদ দিলাম(যার পুরোটা জানিনা,তা নিয়ে বলাটা ঠিক হবেনা);আমাদের ইসলাম ধর্ম মতেই কিন্তু জাতির পিতা দু’জন।একজন পুরো মানব জাতির-ই পিতা;অপরজন হলেন মুসলমানদের জাতির পিতা।
সুতরাং বলে যেতে পারে,জাতির পিতা যে ধ্রুব অর্থাৎ একজন-ই;এমনটা নয়।জাতি ভেদে জাতির পিতা পরিবর্তিত হয়।
সুতরাং বাঙ্গালী জাতির পিতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে মেনে নিতে সমস্যা কোথায়,ভেবে পাইনা।
একজন মানুষ বাঙ্গালী জাতির পিতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে মেনে নিল মানে এই নয় যে সে হযরত আদম (আঃ) ও হযরত ইব্রাহীম(আঃ) কে অস্বীকার করল।বাঙ্গালী মানে তো শুধু মুসলমানদের বোঝায়না।
আমার মনে হয় বিতির্ক এড়াতে আমাদের আগে এটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন যে জাতি বলতে আমরা ঠিক কোন জাতিটিকে বোঝাতে চাচ্ছি।
তবে আমার মনে হয়,যখন শুধু ‘জাতির পিতা’ বলা হয় তখন বাঙ্গালী তথা বাংলাদেশের জাতির জনককেই বোঝানো হয়।
@@ ঠিক কি বলতে চাইলাম আর কি যে ছাই-পাশ লিখলাম জানিনা।কে কতটা বুঝল সেটাও জানিনা।
লেখার হাত অতি বাজে,তাই যা বলে বোঝাতে চাই অনেক সময় তা লিখে বোঝাতে পারিনা।
আমার লেখা কোন ধর্মপ্রাণ মুসলমানের মনে আঘাত হানার কারণ হলে আমি দুঃখিত।
তবে আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক আমায় বলছে যে আমি অযৌক্তিক কিছু লিখিনি। @@

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

