এখন একজন তড়িত প্রকোশলী হয়েও আমার মনে হয়, এসব আবিষ্কার না হলেই বুঝি ভাল ছিল, শুধু কৃত্রিমতায় গা ভাসানো। যদি কারেন্ট না থাকতো তাইলে মানুষ সেই জীবনধারাতেই অভ্যস্ত হয়ে যেত। শুধুই একটা প্যাঁচ তৈরি করা হল এটার আবিষ্কারের মধ্যে দিয়ে। এখন না এ নৌকায় পা, না ও নৌকায়। তাই না মাননীয় মন্ত্রী মহোদোয়।
আচ্ছা এরকম ২/৩ মাস চলার পরে যদি বিদ্যুতের অবস্থা অর্ধেক ভালো হয়ে যায় তাইলে আমাদের কাছে মনে হবে এ সরকার চরম সাফল্য অর্জন করেছে.... গোল্ডফিশের মেমরি আমাদের। আমাদের বিদ্যুতমন্ত্রী যথারীতি দাবী করছেন এর পেছনে আছে গভীর ষড়যন্ত্র, কিন্তু বলতে পারলেননা ষড়যন্ত্রটা কী, সাত বছরের চেয়েও এখন এ পরিস্থিতী খারাপ হওয়ার কি কারণ?
রাতে ঘুম হবেনা আর সকালে অফিসে দৌড়ানো।। গোসল করে যে ফ্রেশ হব এর উপায় নাই; এতো আমার কথা; কত পরীক্ষার্থী পড়তে পারছেনা, ছোট বাচ্চা, বৃদ্ধেরা যে অসুখ বিসুখে ভুগছে...
কিছু প্রশ্ন
রাত তিনটায় অবশ্যই চাহিদা একেবারেই কম হওয়ার কথা, কিন্তু তখনো কিভাবে অনেক এলাকায় ইলেকট্রিসিটি থাকেনা, তা আমার মোটা মাথায় ধরেনা, আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা আসলে কত? আমাদের চাহিদা কি সাত বছর পরে হঠাৎ এমন বেড়ে গেল? নাকি আমাদেরকে প্রথম দিকে অভ্যস্ত করিয়ে নেয়া যাতে পরে আমরা মনে করি এ সরকার বিদ্যুৎ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে? নাকি দৃষ্টি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থেকে ভিন্ন দিকে সরানোর পাঁয়তারা?
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


